প্রেস সচিব © সংগৃহীত
সরকারকে ‘এনজিও-গ্রাম’ বলে ব্যঙ্গ, একগুচ্ছ অর্জন জানিয়ে জবাব প্রেস সচিবের
অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণে সমালোচনা চলছে। অনেকে এটিকে ব্যঙ্গ করে বলছেন— ‘নামে সরকার, আসলে এক প্রকার এনজিও-গ্রাম’; আবার কেউ কেউ দাবি করছেন, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল প্রশাসন। রাস্তাঘাটে নিয়ন্ত্রণহীনতা, আইন পাসে ধীরগতি, ছোট গোষ্ঠীর চাপের কাছে নতি স্বীকার— এমন অভিযোগও উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এই সব ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের একগুচ্ছ অর্জন তুলে ধরলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার নামেই শুধু সরকার, আসলে এক প্রকার এনজিও-গ্রাম! অনেকের দৃষ্টিতে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্বল প্রশাসন — এতটাই দুর্বল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত এর সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি করতে আগ্রহী হয়নি! এর নেতারা প্রায়ই ভীত বা অদক্ষ বলে মনে হয়—রাস্তাঘাটে নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এমন এক সময়ে, যখন ৫০০ দিনে ১,৭০০টির বেশি বিক্ষোভ হয়েছে! তারা যেন নতুন ও অদক্ষ, আইন পাস করতেও হিমশিম খাচ্ছেন, প্রয়োগ তো দূরের কথা!!
অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তুলনামূলক ছোট বা অখ্যাত গোষ্ঠীর চাপের সামনে নতি স্বীকার করেছে!! গত ১৫ মাসে, এই সরকারকে অক্রিয়তা ও অযোগ্যতার অভিযোগে ঘিরে ফেলা হয়েছে। অনেকেই এটিকে ব্যঙ্গ করে বলেন, এটি এক “কিছু না করা, মাখন-খাওয়া দল”—যারা কাকতালীয়ভাবে ক্ষমতায় এসেছে, কিছুই করতে পারেনি, আর এখন অপমানজনক নিরাপদ প্রস্থানের পথ খুঁজছে!
তিনি আরও বলেন, ‘তবুও, পেছনে তাকিয়ে আমি দৃঢ়ভাবে বলি—এটি গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সরকারগুলোর একটি। তারা তাদের প্রায় সব লক্ষ্যই অর্জন করেছে।
প্রেশ সচিব অন্তর্বর্তী সরকারের অর্জনগুলো তুলে ধরেন:
শেষে তিনি লেখেন, ‘আমাদের ইতিহাসের এক আগ্রহী পাঠক হিসেবে আমার বিশ্বাস— বাংলাদেশের ইতিহাসে এত অল্প সময়ে কোনো সরকার এত কিছু অর্জন করতে পারেনি, যতটা অন্তর্বর্তী সরকার (IG) এই পনেরো মাসে করেছে।’