তদন্তের মুখে বিশ্বকাপে স্পেনের দুই ম্যাচ

২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৮ AM , আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:০২ AM
স্পেন ফুটবল দল

স্পেন ফুটবল দল © সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের দুটি ম্যাচকে ঘিরে সম্ভাব্য ক্রীড়া জুয়ার অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। গ্রুপ পর্বে স্পেনের দুটি নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে। যদিও ফিফা বলছে, তারা এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে কারসাজি বা সন্দেহজনক বাজির প্রমাণ পায়নি।

দ্য অ্যাথলেটিক–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রীড়া ইভেন্টে কারসাজি প্রতিরোধ, শনাক্তকরণ ও শাস্তি নিশ্চিত করতে কাজ করা স্বাধীন আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গ্রুপ অব কোপেনহেগেন বিশ্বকাপের সাতটি ঘটনাকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এসব ঘটনার বিষয়ে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফার কাছে ব্যাখ্যাও চেয়েছে।

সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত সাতটি ঘটনার মধ্যে দুটি স্পেনকে ঘিরে। প্রথম ঘটনায় দেখা গেছে, পলিমার্কেট প্ল্যাটফর্মে বিপুল পরিমাণ বাজি ধরা হয়েছিল যে স্পেন কেপ ভার্দেকে হারাতে পারবে না। দ্বিতীয় ঘটনাটি সৌদি আরবের বিপক্ষে স্পেনের বড় জয়ের ম্যাচে। সেই ম্যাচে ফেরান তোরেস গোল করলেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে সেটি বাতিল হয়। তবে গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত দিতে ভিএআর অস্বাভাবিক দীর্ঘ সময় নিয়েছিল, যা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

গ্রুপ অব কোপেনহেগেন এই দুই ঘটনাসহ সাতটি ঘটনাকেই ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’ বা হলুদ সতর্কতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কোনো ঘটনায় অনিয়মের প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেলে এমন সতর্কতা দেওয়া হয়। এর মধ্যে অস্বাভাবিক বাজির প্রবণতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন কিংবা সন্দেহজনক তথ্যের আদান-প্রদানের মতো বিষয় থাকতে পারে।

সংস্থাটির চার স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে সবুজ, যা স্বাভাবিক পরিস্থিতি নির্দেশ করে। এরপর রয়েছে হলুদ, অর্থাৎ বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন। তার ওপরে কমলা, যা উচ্চ সতর্কতার সংকেত। আর সর্বোচ্চ স্তর হলো লাল, যা চরম সতর্কতা নির্দেশ করে।

গ্রুপ অব কোপেনহেগেনের সাবেক সহযোগী এবং ক্রীড়া সততা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ক্রিশ্চিয়ান কালব বলেছেন, কোনো ঘটনায় সতর্কতা জারি হওয়া মানেই সেখানে ম্যাচ কারসাজি হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

তিনি দ্য অ্যাথলেটিককে বলেন, ‘গ্রুপ অব কোপেনহেগেনের সতর্কতার পেছনে অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ দায়ী হতে পারে। যেমন বাজির অডস বা বাজারে তারল্যের হঠাৎ পরিবর্তন। এমন অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে কারসাজির কোনো সম্পর্ক নেই।’

অন্যদিকে ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালে তারা কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বাজির তথ্য পায়নি।

ফিফার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘কোনো ম্যাচের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহজনক বাজির কার্যক্রম বা ম্যাচ কারসাজির কোনো ইঙ্গিত শনাক্ত হয়নি।’

তবে গ্রুপ অব কোপেনহেগেন শুধু স্পেনের দুটি ঘটনাই নয়, আরও কয়েকটি ম্যাচ নিয়েও সতর্কতা জারি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বা জোয়ানের লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনা এবং ফোলারিন বালোগুনকে ঘিরে একটি বাজির বিষয়।

বালোগুনের ক্ষেত্রে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তাঁর খেলার সম্ভাবনা নিয়ে সেদিনই বাজি ধরা হয়েছিল, যেদিন তিনি বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছিলেন। তাঁর নিষেধাজ্ঞা বাতিল হওয়ার আগেই ওই বাজির কার্যক্রম শুরু হওয়ায় ঘটনাটিও সন্দেহের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

এখন এসব ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনাতেই ম্যাচ কারসাজি হয়েছে—এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রমাণ সামনে আসেনি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি প্রথম পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি …
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যা: সেই রাজুকে রেখেই খালি হাতে কুমিল্…
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
দেশজুড়ে ১০ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো মডেল জাতিসংঘ সম্মেলন
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬
কবি নজরুল কলেজে বাংলা বিভাগের উদ্যোগে ‘শরৎ উৎসব ও নবীন বরণ’…
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬