আন্ডারডগ হিসেবেই মাঠে নেমেছিল হাইতি, কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই মরক্কোকে বড় ধাক্কা দেয় ক্যারিবীয় দেশটি। দশম মিনিটে গোল পেয়ে তারা ভাঙে দীর্ঘ ৫২ বছরের অপেক্ষা। ১৯৭৪ সালের পর ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে এটাই হাইতির প্রথম গোল।
আটালান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ডান প্রান্ত দিয়ে দারুণ এক আক্রমণ গড়ে তোলেন জঁ-কেভিন দুভের্নে। চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ছয় গজের বক্সের সামনে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। সেখান থেকে লেনি জোসেফের ব্যাকহিল শট মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনুকে পরাস্ত করলেও শেষ মুহূর্তে বল তার গায়ে লেগে জালে জড়ায়। ফলে গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে নথিভুক্ত করে ফিফা।
বিশ্বকাপে ৫২ বছর পর ফিরে আসা হাইতি প্রথম দুই ম্যাচে গোলের দেখা পায়নি। মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচেই অবশেষে গোলের খরা কাটায় তারা। এর আগে বিশ্বকাপে তাদের সর্বশেষ গোল এসেছিল ১৯৭৪ সালের ২৩ জুন, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে হারা ম্যাচে। সেদিন হাইতির একমাত্র গোলটি করেছিলেন এমানুয়েল শ্যানন।
একই বিশ্বকাপে ইতালির বিপক্ষে হাইতির ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ গোলও করেছিলেন শ্যানন। তাই লেনি জোসেফের গোলটি বৈধ হলে ৫২ বছর পর শ্যাননের পাশে নিজের নাম লেখাতে পারতেন তিনি। কিন্তু আত্মঘাতী গোল হিসেবে রেকর্ড হওয়ায় সেই কৃতিত্ব আর পাওয়া হয়নি।
তবে বিরতির আগেই হাইতির হয়ে গোলদাতাদের তালিকায় নতুন নাম যোগ করেন উইলসন ইসিডর। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার দুর্দান্ত শক্তিশালী শট মরক্কোর জালে আশ্রয় নেয়। ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের গোলে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রত্যাবর্তন আরও স্মরণীয় করে তোলে হাইতি।