বিশ্বকাপ ট্রফি © সংগৃহীত
আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ ঘিরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন চ্যাটবট ও পরিসংখ্যান মডেলের পূর্বাভাসে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফ্রান্সের নাম উঠে এসেছে। তবে একইসঙ্গে বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ফ্রান্সের শিরোপার দৌড়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে স্পেন। প্রতিবেদন এএস স্পোর্টসের।
সম্প্রতি মাইক্রোসফটের মাইক্রোসফট কোপাইলট, চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের জেমিনিকে প্রশ্ন করা হয়, “২০২৬ বিশ্বকাপ কে জিতবে?” প্রথমে একাধিক দলের নাম এলেও পরে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন নিয়ে আলাদা আলাদা মত দেয়।
কোপাইলট ও চ্যাটজিপিটি দুটিই ফ্রান্সকে শীর্ষ ফেবারিট হিসেবে বেছে নেয়। তাদের বিশ্লেষণ বলছে, ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের ‘এলিট ডেপথ’ অর্থাৎ প্রতিটি পজিশনে বিশ্বমানের বিকল্প খেলোয়াড় থাকা। পাশাপাশি কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকারা ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে থাকায় দলটি বড় ম্যাচে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে। টানা দুই বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতাও ফ্রান্সকে এগিয়ে রাখছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে চ্যাটজিপিটির বিশ্লেষণে স্পেনকে সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হচ্ছে। তরুণদের উত্থান, দ্রুত পাসিং এবং শক্তিশালী মিডফিল্ডের কারণে ফ্রান্সকে স্প্যানিশরা কঠিন চ্যালেঞ্জ দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণে স্পেনকে কিছুটা এগিয়ে রেখেছে জেমিনি। ফুটবল ডেটা সংস্থা অপ্টার তথ্য অনুযায়ী, স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা প্রায় ১৬ দশমিক ০৮ শতাংশ। জেমিনির মতে, কৌশলগত ভারসাম্য, বল দখলে আধিপত্য এবং ইউরো ২০২৪-এর অভিজ্ঞতা দলটিকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
তবে সব পূর্বাভাসের বাইরে ভিন্ন মত জার্মান অর্থনীতিবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্টের, তিনি অতীতে একাধিক বিশ্বকাপের ফল সঠিকভাবে অনুমান করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। তার তৈরি মডেল অনুযায়ী, এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নেদারল্যান্ডস, আর ফাইনালে পর্তুগালকে হারাতে পারে ডাচরা বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন। ৪৮ দল নিয়ে আয়োজিত এই আসরের যৌথ স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। বৈশ্বিক এই মহারণের ফাইনাল ম্যাচ ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।