বেলজিয়াম দল © সংগৃহীত
সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না বেলজিয়ামের স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকুর। ফর্মহীনতায় ক্লাবেও নিয়মিত সুযোগ মিলছে না। তবুও ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের ওপর আস্থা রেখেছেন বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া। তার বিশ্বাস, বিশ্বকাপে ঠিকই জ্বলে উঠবেন লুকাকু।
হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন ন্যাপোলির এই স্ট্রাইকার। প্রায় দুই মাস আগে চোট কাটিয়ে ফিরলেও এখনও ছন্দে ফেরেননি। নিয়মিত একাদশেও জায়গা পাচ্ছেন না তিনি। চলতি মৌসুমে ক্লাবটির হয়ে ৭ ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে মোটে ৬৯ মিনিট খেলেছেন লুকাকু।
লুকাকুকে নিয়ে বেশ আশাবাদী বেলজিয়ামের কোচ। তার ভাষ্যমতে, ‘রুমেলু চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠেছে। তবে সে এখন ছন্দে নেই। বিশ্বকাপে তাকে শুরু থেকে খেলাব কিনা, সে ব্যাপারে এখনও আমি নিশ্চিত নয়। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, সে আমাদের সেরা স্ট্রাইকার। আমাদের হাতে এখনও পাঁচ সপ্তাহ আছে। আশা করছি, এই সময়ের মধ্যে সে পুরোপুরি ফিট হয়ে যাবে এবং ছন্দ ফিরে পারে।’
এদিকে বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো। এর আগে স্পেনের অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলেছেন লিলের এই ফরোয়ার্ড। তবে জাতীয়তা পরিবর্তন করে বেলজিয়ামের হয়ে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন। এ ছাড়া থিবো কোর্তোয়া, কেভিন ডি ব্রুইনা ও জেরেমি ডকুর মতো তারকাদের ওপরই ভরসা রেখেছেন রুডি গার্সিয়া।
সিয়াটলে আগামী ১৫ জুন মিসরের বিপক্ষে বিশ্বমঞ্চে মিশন শুরু করবে বেলজিয়াম। ‘জি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ইরান ও নিউজিল্যান্ড। লস অ্যাঞ্জেলেস ও ভ্যাঙ্কুভারে হবে ম্যাচগুলো।
বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ দল:
গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স।
ডিফেন্ডার: টিমোথি কাস্তানিয়া, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডি কুইপার, কোনি ডি উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেচেলে, থমাস মুনিয়ের, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেস, আর্থার থিয়েট।
মিডফিল্ডার: কেভিন ডি ব্রুইনা, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাস্কিন, ইউরি তিয়েলেমানস, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল।
ফরোয়ার্ড: চার্লস ডি কেটেলিয়ার, জেরেমি ডকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, ডোডি লুকেবাকিও, ডিয়েগো মোরেরা, অ্যালেক্সিস সেলেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড।