সিজিপিএ কম হওয়ায় মাস্টার্সে থিসিস গ্রুপ পাননি, দেবাশীষ এখন পোস্টডক করছেন হার্ভার্ডে

২৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৪ PM , আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৬ PM
দেবাশীষ সরকার

দেবাশীষ সরকার © ফেসবুক থেকে নেওয়া

সিজিপিএ কম হওয়ায় মাস্টার্সে থিসিস গ্রুপে সুযোগ না পাওয়া দেবাশীষ আজ গবেষণায় দারুণ সাফল্যের উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে থিসিস করতে না পারলেও শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে গবেষণায় যুক্ত হয়ে দুটি আর্টিকেল প্রকাশ করেন তিনি। পরে ইউনিভার্সিটি অফ মায়ামি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরালন শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন তার ছাত্র দেবাশীষ সরকারের এমন সাফল্যের কথা জানিয়েছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, আমার ছাত্র দেবাশীষ যে কিনা মনে প্রাণে আমার সাথে থিসিস করতে চেয়েছিল কিন্তু ওর সিজিপিএ ৩ এর কম হওয়ায় তাকে অফিসিয়াললি থিসিস ছাত্র হিসাবে নিতে পারিনি। কিন্তু ওকে নানাভাবে টেস্ট করে আমি আমার রিসার্চ গ্রুপে নিয়ে নেই যে কিনা থিসিস ছাত্র না হয়েও থিসিস ছাত্র যা করে সেই কাজগুলো করবে। তারপর ওর সাথে আমার দুটি রিসার্চ আর্টিকেল হয়।

আমার মনে হয়, বড় স্বপ্ন দেখা কাউকে কখনোই তার বর্তমান অবস্থা বা যোগ্যতা দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। আসলে মানুষের ভেতরের লুকিয়ে থাকা সম্ভাবনা মাপার মতো কোনো মাপকাঠি আজও তৈরি হয়নি।’—দেবাশীষ সরকার

ঢাবির এই অধ্যাপক আরও বলেন, এরপর ইউনিভার্সিটি অফ মায়ামি থেকে পিএইচডি করে আজকে হার্ভার্ডে পোস্টডক শুরু করেছে। স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডার গ্রাজুয়েটে খারাপ সিজিপিএ হলেই জীবন সেখানেই শেষ না বরং সেখান থেকে শুরুও হতে পারে। দেবাশীষ তার উদাহরণ।

দেবাশীষের পাঠানো একটি ই-মেইল যোগ করে ড. কামরুল হাসান মামুন লেখেন, আজ ঘুম থেকে উঠেই হার্ভার্ডের ইমেইল আইডি থেকে নিচের ইমেইলটি পেলাম।

পোস্টের কমেন্টে তিনি আরও লেখেন, ‘স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডার গ্রাজুয়েটে খারাপ সিজিপিএ হলেই জীবন সেখানেই শেষ না বরং সেখান থেকে শুরুও হতে পারে। দেবাশীষ তার উদাহরণ।’

দেবাশীষ সরকারের সঙ্গে কথা হয় দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের। তিনি শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখাকে তার বর্তমান অবস্থা বা সীমিত যোগ্যতার ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয় বলে মনে করেন। কাউকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করা সম্ভব না হলেও অন্তত তাকে নিরুৎসাহিত করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন দেবাশীষ।

দেবাশীষ বলেন, ‘আমার মনে হয়, বড় স্বপ্ন দেখা কাউকে কখনোই তার বর্তমান অবস্থা বা যোগ্যতা দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়। আসলে মানুষের ভেতরের লুকিয়ে থাকা সম্ভাবনা মাপার মতো কোনো মাপকাঠি আজও তৈরি হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাউকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে না পারলেও, অন্তত তাকে নিরুৎসাহিত করা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত। কে জানে, এই মানুষটিই হয়তো একদিন অবিশ্বাস্য কিছু করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেবে!’

‘বিসিএসের প্রশ্ন তৈরির সময় ৪ দিন আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকতে হয়, …
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
৩৫৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করল মাউশি, তালিকা দেখুন এখানে
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
মাদ্রাসাশিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বাঙ্কার-টানেল বানিয়ে কোনো লাভ হবে না: সারজিস
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ভারতের ভিসা চালু আগামী সপ্তাহেই!
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬