‘রুদ্র ফিরে আসুক’— প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিনে তসলিমা

রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও তসলিমা নাসরিন
রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও তসলিমা নাসরিন  © ফাইল ফটো

তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তাঁর প্রণয় ছিল তসলিমা নাসরিনের সঙ্গে; যিনি আজ বিখ্যাত লেখিকা। শুরু করেছিলেন সংসার, কিন্তু সেটা স্থায়ী হয়নি। কিন্তু রুদ্রের জন্য তসলিমার হৃদয়ে একটুখানি স্থান এখনও সুরক্ষিত আছে। তাই হঠাৎ লেখিকার কলমে উঠে আসেন রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

আজ শনিবার ফেসবুক স্ট্যাটাসে তসলিমা একটি পেপার কাটিং শেয়ার করে লিখেছেন, ইনবক্সে আজ এই লেখাটি আমাকে একজন পাঠালো। ২৯ বছর আগের লেখা। ছাপা হয়েছিল আজকের কাগজ নামে একটি পত্রিকায়। ১৯ আষাঢ়, ১৩৯৮ সালে। হিসেব করে পেলাম ওই দিনটা ছিল ৪ জুলাই, ১৯৯১ সাল। কী করে যে সময় চলে যাচ্ছে! পলক না ফেলতেই দিন কেন, মনে হয় বছর ফুরোচ্ছে।

এদিকে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রাক্তনকে ক্ষমা করে দেওয়ার দিন। ২০১৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু হয় বিচিত্র এ দিবসটির। ওই বছর থেকেই ১৭ অক্টোবর প্রাক্তনকে ক্ষমা করে দেয়ার দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

তসলিমা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন, লেখাটি বহু বছর পর আজ পড়লাম। শব্দ বাক্যগুলো ঠিক ঠিক চিনতে পারছি। লেখার সময় কী আমার অনুভব ছিল, সেও টের পাচ্ছি, অথচ মাঝখানে ২৯ বছর। রুদ্র মারা গিয়েছিল ২১ জুন, ১৯৯১ সালে। ক’দিন পর আজকের কাগজের সাহিত্য বিভাগ থেকে আমাকে একটি লেখা লিখতে বলা হয়েছিল। এটিই সেই লেখা।

পত্রিকায় প্রকাশিত তসলিমার লেখা

তিনি লিখেন, লেখাটি পড়ার পর আজ আমার মনে হচ্ছিল আমার মৃত্যুর পর এমন আবেগে, এমন ভালোবাসায়, এমন চোখের জলে অক্ষর ভিজিয়ে ভিজিয়ে কেউ কি আছে লিখবে? ভেবে দেখলাম কেউ নেই। দুর্ভাগ্য তবে কার? আমার? না, আমার মতো করে ভালো না বাসতে পারা আমার কাছের মানুষগুলোর?


মন্তব্য