© ফাইল ছবি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শাবিপ্রবি) স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে পাঁচ দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক জোট। একইসাথে দাবি মেনে না নিলে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
আজ রবিবার(২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান তারা।
আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি থেকে স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তরের ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত ১৭ ডিসেম্বর একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় অনলাইনে অপর্যাপ্ত ক্লাসের রিভিউ ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষার ফি কমানো, পরীক্ষা চলাকালীন আবাসিক হলগুলো খোলা রাখা, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে নিশ্চয়তা প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এদিকে প্রশাসনের এ রূপ সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীবান্ধব নয় বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। একই সাথে পাঁচ দাবি জানিয়েছেন জোটের নেতৃবৃন্দ।
দাবিসমূহ হলো-
১. অফলাইন রিভিউ ক্লাসের (থিওরি এবং ল্যাব) জন্য প্রতি সেমিস্টারের পূর্বে এক মাস সময় দিতে হবে। এক মাস সময় শেষে প্রথমে থিওরি পরীক্ষা এবং শেষে ল্যাব পরীক্ষা নিতে হবে। এ ছাড়া পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে প্রতি পরীক্ষার আগে ক্রেডিটপ্রতি বিরতি দিতে হবে।
২. সকল ধরনের ফি ৭০% মওকুফ করতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর তিন কার্যদিবস আগ পর্যন্ত কোনো প্রকার জরিমানা ছাড়া পরিশোধযোগ্য হতে হবে।
৩. শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক, মানসিক এবং স্বাস্থ্যবিধিসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিশ্চিত করে সকল আবাসিক হল খুলে দিতে হবে।
৪. সকল সেশনের সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।
৫. প্রশাসনকে সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিতে হবে। কেউ অসুস্থ হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ভার নিতে হবে এবং চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো ধরনের মন্তব্য করতে চাই না।