বশেমুরবিপ্রবি

অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণের উদ্যোগ

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল কমপ্লেক্সের নকশা
বশমুরবিপ্রবির পরিকল্পিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল কমপ্লেক্সের নকশা  © ফাইল ফটো

অবশেষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশমুরবিপ্রবি)। মুজিববর্ষ উপলক্ষে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই ম্যুরালের নির্মাণ কাজ শুরু করতে চাইছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কিউ এম মাহবুব বিষয়টি নিশ্চিত করে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছেন, ‘উচিত ছিলো আরও আগেই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে মুজিববর্ষে ম্যুরাল উদ্বোধন করা। সেটা যেহেতু হয়নি, আমরা চেষ্টা করবো আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই ম্যুরালের নির্মাণ কাজ শুরু করতে।’

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের কোনো ধরনের নির্মাণ কাজ শুরু না করেই দীর্ঘদিন যাবত নির্মাণাধীন দেখানো হয়েছিলো। এমনকি কাগজে-কলমে নির্মাণ কাজের অগ্রগতি দেখানো হয়েছিলো ১৬.১৯% এবং ব্যয় দেখানো হয়েছিলো আড়াই কোটি টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও ওয়ার্কস দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে অনুমোদনপ্রাপ্ত বশেমুরবিপ্রবি অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের জন্য বরাদ্দ ছিলো দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২৪০ বর্গমিটার জায়গায় ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে ম্যুরালটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিলো। কিন্তু ২০১৭ সাল পর্যন্ত ম্যুরালটির নির্মাণ কাজই শুরু হয়নি।

পরবর্তীতে কয়েক দফায় বশেমুরবিপ্রবি অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় এবং ২০১৮ সালে প্রকল্পটির বাজেট রিভাইজড করা হয়। রিভাইজড বাজেটে ২৪০ বর্গমিটার স্থানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ১৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। তবে এরপর প্রায় দুই বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত ম্যুরাল কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।

ম্যুরাল নির্মাণ কাজে দেরি হওয়ার বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান ভুঁইয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমতির প্রয়োজন হয়। আমরা ট্রাস্টি বোর্ডের নিকট অনুমতির জন্য আবেদন করেছি। করোনার কারণে বোর্ডের মিটিং খুব কম হচ্ছে বর্তমানে। অনুমতি পেলেই আমরা ম্যুরাল নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করবো।’

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট ও সাব গেট নির্মাণ কাজও দ্রুত শুরু হবে। কিছুদিন আগে আমরা মেইন গেট ও সাব গেট নির্মাণের জন্য টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলাম, তবে আশানুরূপ সাড়া পাইনি। এ কারণে শিগগিরই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেবো।’


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ