বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রথম দিনে পাবনা জেলার বিভিন্ন স্কুলের ১৬টি দল অংশ নেয় © টিডিসি
‘নিজেকে জানাই জ্ঞানের প্রকৃত সূচনা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) তৃতীয়বারের মতো শুরু হয়েছে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় প্রথম দিনে পাবনা জেলার বিভিন্ন স্কুলের ১৬টি দল অংশ নেয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩-এর ষষ্ঠ তলায় স্কুল পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।
প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল হক, পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ, সভাপতি আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক মুবাশ্বিরা গালিবা তন্বী এবং সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, এবারের জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি এবারই প্রথম স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এই আয়োজনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বিতার্কিকদের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও যুক্তি, জ্ঞান ও মুক্তচিন্তার চর্চা আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, বিতর্কের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, জ্ঞানচর্চা ও মতপ্রকাশের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের জানার এবং ভিন্নমতকে গ্রহণ করার মানসিকতা তৈরি করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুন: শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বৃদ্ধি নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, ‘তোমরা এমন একটি সময়ে বেড়ে উঠছো, যখন পৃথিবীর সব তথ্য যেন তোমাদের হাতের মুঠোয়। শুধু তথ্য জানা নয়, তথ্যকে যাচাই-বাছাই করার সক্ষমতাই তোমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তথ্যকে যুক্তি দিয়ে যাচাই করার এই অভ্যাস শুধু তোমাদের একজন ভালো বিতার্কিক তৈরি করবে না; আমি বিশ্বাস করি, এই অভ্যাস তোমাদের একজন ভালো মানুষ ও সুনাগরিক হিসেবেও গড়ে তুলবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তখন তোমাদের স্কুল গর্ব করে বলবে এই শিক্ষার্থী আমার স্কুলের ছাত্র। তোমাদের বাবা-মা গর্ব করে বলবেন এই ছেলে বা মেয়েটিকে আমরা মানুষ করেছি। আর সমাজ বলবেএই তরুণ-তরুণী বড় হয়ে সমাজের জন্য, দেশের জন্য ভালো কিছু করবে।’