হাবিপ্রবির বৃক্ষরোপণ অভিযান © টিডিসি ফটো
‘শিক্ষায় বন পরিবেশ, আধুনিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে সারা দেশের ন্যায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় খামারের তত্বাবধায়নে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশনেন।
র্যালি শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে কাঠ গোলাপের গাছ লাগিয়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম। বৃক্ষরোপণ করার পূর্বে গাছের পরিচর্যা ও গাছের গুরুত্বের উপর তিনি বক্তব্য রাখেন।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর টি এম টি ইকবাল, কৃষি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. ভবেন্দ্র কুমার বিশ্বাস, পরিকল্পনা উন্নয়ন ও ওয়ার্কস শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, হিসাব শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. শাহাদাৎ হোসেন খান, প্রক্টর প্রফেসর ডা. মো. খালেদ হোসেন প্রমুখ। আলোচনা শেষে বিভিন্ন প্রজাতির ৭টি কাঠ-গোলাপের গাছ লাগানো হয় ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, গাছ কখনো কারও সাথে বেঈমানী করে না। প্রতিদান ছাড়াই গাছ নিঃস্বার্থভাবে আমাদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। গাছ ক্ষতিকর উপাদান কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে অক্সিজেন নিঃস্বরণ করে। যেটি মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে জরুরী উপাদান। শুধু বৃক্ষ রোপন করলেও হবে না তার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা করতে হবে বলেও জানান উপাচার্য।
এ সময় তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকে নিজেদের বসতবাড়িতে বৃক্ষরোপণ করার আহবান জানান ।
উল্লেখ্য, এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রায় ৩০০ বনজ, ফলজ ও ঔষধি ও শোভাবর্ধক গাছ রোপন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।