আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ৬ বছর, এখনও অপেক্ষা রায় কার্যকরের

০৬ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৩ PM , আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৭ PM
আবরার ফাহাদ

আবরার ফাহাদ © ফাইল ফটো

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ৬ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর দিনগত রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে নৃশংসভাবে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী। বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওই সময় দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এই হত্যাকাণ্ডে করা মামলায় মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামিদের আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। আবরারের পরিবার হাইকোর্টের আদেশই আপিল বিভাগে বহাল থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দেখার অপেক্ষায় এখন আবরাবের পরিবার-স্বজন ও সহপাঠীরা। তবে আসামিপক্ষ মনে করছে, তারা আপিল বিভাগে ন্যায়বিচার পাবে।  

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অসম চুক্তি এবং পানি আগ্রাসন নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের জেরে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নৃশংস কায়দায় পিটিয়ে হত্যা করে সংগঠনটির ক্যাডাররা। পরে রাত ৩টার দিকে শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: সাড়ে ৪ লাখ লাইক, ৭৩ হাজার শেয়ার, ফের ভেসে উঠল আবরার ফাহাদের স্ট্যাটাস

এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। মাত্র ৩৭ দিনে তদন্ত শেষ করে একই বছরের ১৩ নভেম্বর চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।

২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান ওই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার ওরফে অপু, মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, মো. মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ, খন্দকার তাবাকারুল ইসলাম ওরফে তানভির, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. শামীম বিল্লাহ, মো. সাদাত এ এস এম নাজমুস সাদাত, মুনতাসির আল জেমী, মো. মিজানুর রহমান মিজান, এস এম মাহমুদ সেতু, সামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মোর্শেদ ওরফে মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম, এহতেশামুল রাব্বি অরফে তানিম, মোহাম্মদ মোর্শেদ উজ্জামান মণ্ডল প্রকাশ জিসান, মুজতবা রাফিদ।  

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- অমিত সাহা, ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না, মো. আকাশ হোসেন, মুহতাসিম ফুয়াদ ও মো. মোয়াজ ওরফে মোয়াজ আবু হোরায়রা।

২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি এ মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। পরে কারাবন্দি আসামিরা জেল আপিল করেন। পাশাপাশি অনেকে ফৌজদারি আপিলও করেন।

চলতি বছরের ১৬ মার্চ ওই মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট।

আসামিপক্ষের একজন আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জানান, হাইকোর্ট বিভাগে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করেছেন। তারা আশা করছেন আপিল বিভাগে ন্যায়বিচার পাবেন।

পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৯৬ রাউন্ড গুলি উ…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
স্বর্ণের ৬ ডিম বিক্রি করতে পারেননি বাংলাদেশে, ফের আবুধাবিতে…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
চীনে সরকারি স্কলারশিপ পেলেন বুটেক্সের পাঁচ শিক্ষার্থী
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
‘ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ, এসএসসি পাসেই আবেদন
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
বিএনপি নেতাকে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬