হাবিপ্রবিতে ৪ দাবিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী শিক্ষক পরিষদের স্মরকলিপি

০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:২২ AM

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনার বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মরকলিপি দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক পরিষদ। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এই স্মবারকলিপি দেওয়া হয়।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর ড. ভবেন্দ্র কুমার বিশ্বাস ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন স্বাক্ষরিত ওই স্মরকলিপিতে জানানো হয়, যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা করছে; তাদেরকে দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক। তা না হলে হাবিপ্রবি’র একাডেমিক উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ হবে।

স্মরকলিপিতে পরিষদের পক্ষ থেকে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, ১. গত গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর সদ্য প্রমোশনপ্রাপ্ত ২০-২৫ জন শিক্ষক অনার্জিত ইনক্রিমেন্ট প্রদানের দাবিতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বিধান চন্দ্র হালদার-এর অফিস কক্ষে প্রবেশ করে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরবর্তীতে ভিসি মহোদয়ের নির্দেশে প্রশাসনের দায়িত্বে নিয়োজিত কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক, প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা সেখানে উপস্থিত হয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি শান্ত করেন। কিন্তু দুঃখজনক হলো- উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টাসহ ৪ জনের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক পরিষদের পক্ষ থেকে এই মামলার তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত স্বাপেক্ষে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলা হয়।

২. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উচ্চ শিক্ষার ছুটিতে নানা রকম গরমিল থাকায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরূপ ৭ বছরের শিক্ষাছুটি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি। ৩. চলমান শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে ভয়-ভীতি কাটিয়েমেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। ৪. সর্বোপরি প্রশাসনের দায়িত্বে নিয়োজিত কয়েকজন শিক্ষকের অসহযোগিতা ও ষড়যন্ত্রের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে বিভ্রান্তমূলক কাজে ব্যবহার করছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে প্রশাসনকে নির্ভেজাল ও স্বচ্ছ করা।

স্মরকলিপিতে দাবিগুলো বাস্তবায়নে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

বাউফলে ভোট চাওয়া নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত-২
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
রুয়েটে প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিযোগিতা টেক ফেস্ট অনুষ্ঠিত
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কমপাউন্ডে ককটেল বিস্ফোরণ
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
সরকারের ঋণ নিয়ে ঢাবি অধ্যাপকের ছড়ানো তথ্য সঠিক নয়
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
‘নির্ধারিত সময়ের আগে সরকারি বাসা ছেড়েও মিডিয়া ট্রায়ালের শিক…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুরে সেই জামায়াত নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬