হাবিপ্রবির নতুন রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পেলেন অধ্যাপক ফজলুল হক

২৯ মার্চ ২০১৯, ০৫:০৪ PM
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক।

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক। © টিডিসি ফটো

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) নতুন রেজিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্স অনুষদের মেডিসিন সার্জারি এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেমের অনুমোদনক্রমে সদ্য বিদায়ী রেজিস্টার প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিসে আদেশে এই তথ্য জানানো হয়। এই আদেশের মাধ্যমে সাবেক রেজিস্টার প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলমের স্থলাভিষিক্ত হলেন প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হক।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (চুক্তিভিত্তিক) পদে নিযুক্ত প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলমকে ২৮ মার্চ ২০১৯ তারিখ অপরাহ্ন হতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো এবং সেই সাথে মেডিসিন সার্জারি এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের প্রফেসর ডা. মো. ফজলুল হককে তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান ,সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থাকা অবস্থায় প্রাপ্য সুযোগ্য-সুবিধা মেনে চলার প্রেক্ষিতে ২৯ মার্চ ২০১৯ হতে রেজিস্টারের দায়িত্বে নিযুক্ত করা হলো।

প্রফেসর ফজলুল হকের কর্ম জীবনের শুরুতে তিনি ১৯৮৩ হতে ২০০৮ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত বিসিএস লাইভস্টক সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন।এরপর ২০০৮ সালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন সার্জারি এন্ড অবস্ট্রেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৯ সালে এসে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১২ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন।

লেখালেখিতেও প্রফেসর ফজলুল হকের অবস্থান রয়েছে। তার গবেষণা ধর্মী আর্টিকেল- ২১টি, ‘ইতিহাস কথা বলে পূর্বাপর ৭১’ নামক একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। দেশের জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় (উপ সম্পাদকীয়) পাতায় প্রায় ১০০টির বেশি বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনায় নিয়ে লেখা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি মাদার তেরেসা, এম এ জি ওসমানী, হাজী মোহাম্মদ মহসিন ও আর্মস পুরষ্কার সহ বিভিন্ন সম্মাননা পদকেও ভূষিত হয়েছেন।

প্রফেসর ডা. ফজলুল হক ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮৬ সালে মাদারীপুর জেলায় সরকারী চাকুরীতে কর্মরত থাকাকালীন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুই সদস্য হাতে নাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ ও ৮ ডাকাতের ১০ বছর কারাদণ্ডের ঘটনায় বীরত্বের সম্মাননা হিসেবে ০১ (একটি) SSBL GUN লাইসেন্সের অনুমোদন পেয়েছেন। তিনি কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) ও বিভিএর আজীবন সদস্য, বিভিএর নির্বাচিত সদস্য, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি এর ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার ব্যাপারে ডা. হক জানান, ইতোপূর্বে শতভাগ সততার মাধ্যমে আমার উপর অর্পিত যে দায়িত্ব তা পালনের চেষ্টা করেছি। আমাকে নতুন করে যে দায়িত্ব দেয়া হলো তা যেন আমি অতীতের ন্যায় সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারি সে জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। সর্বোপরি আমি বলতে চাই সততা, সেবা, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মধ্যেই জীবনের সফলতা এবং ইহকাল ও পরকালের শান্তি নিহিত।

জামায়াত নেতা হত্যায় মামলা, প্রধান আসামি শেরপুর-৩ আসনের বিএন…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
বাউফলে ভোট চাওয়া নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত-২
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
রুয়েটে প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিযোগিতা টেক ফেস্ট অনুষ্ঠিত
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
আনসার ব্যাটালিয়ন অফিস কমপাউন্ডে ককটেল বিস্ফোরণ
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
সরকারের ঋণ নিয়ে ঢাবি অধ্যাপকের ছড়ানো তথ্য সঠিক নয়
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
‘নির্ধারিত সময়ের আগে সরকারি বাসা ছেড়েও মিডিয়া ট্রায়ালের শিক…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬