হলের সিট বরাদ্দের জেরে বশেমুরবিপ্রবিতে প্রভোস্টের অফিস ভাঙচুর 

২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:৪০ PM , আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৫, ০৩:৪০ PM

© টিডিসি ফটো

আবাসিক হলের সিট বরাদ্দ দেওয়াকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বিজয় দিবস হলের প্রভোস্ট অফিস ভাঙচুর সিট বরাদ্দ বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের।

আজ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী চলে শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর ও উত্তেজনা। এসময় হল প্রভোস্টের অফিসের জানালা দরজা ভাঙচুর করা হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পূর্ব থেকে হলে অবস্থান করা শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের কাছে দীর্ঘদিন বরাদ্দের জন্য বারবার আবেদন করলেও তিনি তা দেননি। প্রভোস্ট তাদের সিটে সার্কুলারের মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দিয়ে দেন। যার ফলে সিটে অবস্থান করা আনএ্যালোটেট শিক্ষার্থীরা স্যারের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এসময় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এই বিষয়ে হলে অবস্থানরত সিট বরাদ্দ বঞ্চিত এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রভোস্ট স্যার অন্যায়ভাবে আমাদের সিটগুলো দীর্ঘদিন ধরে এ্যালোট না দিয়ে ঘুরিয়ে এখন অন্যদের বরাদ্দ দিয়েছে। যা চরম বৈষম্য ছাড়া কিছু নয়। আমরা তার কাছে ১০ মাস ধরে সিট এ্যালোট করার জন্য আবেদন করে তার পেছনে ঘুরতেছি। তাহলে কিভাবে আমাদের তিনি বঞ্চিত করেন। তিনি তার বিভাগ ও জেলার শিক্ষার্থীদের এ্যালোট দেওয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাত করেছেন। আমরা তার কাছে যায় এটা জানার জন্য তিনি আমাদের কে বরাদ্দ না দিয়ে কেন বাইরের শিক্ষার্থীদের এ্যালোট দিয়েছেন এই বিষয়ে জানার জন্য। কিন্তু তিনি রুমের মধ্যে তার পক্ষ নিয়ে দালালি করার জন্য কিছু শিক্ষার্থীকে সাথে করে বসেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে দরজা জানালায় আঘাত করেন। যার সম্পূর্ণ দায়ভার প্রভোস্ট স্যার নিজে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে আরও বলেন, আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এর একটা সুষ্ঠ ফয়সালা করে দিবেন। এভাবে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থান করে দিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করা মোটেও প্রশাসনের কাজ নয়।

এই বিষয়ে বিজয় দিবস হলের প্রভোস্ট সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মতো আমিও চেয়েছি হলে সকল বৈষম্য দূর করে নতুন করে সঠিক পদ্ধতিতে সিট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য। আমি সকল বিভাগ যেন সমান অধিকার পাই তার জন্য আমি অবৈধভাবে অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দেয়নি। আমি ডিপার্টমেন্ট ভিত্তিক সমান ভাবে বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, যারা এখন বলছে আমার কাছে অনেক বার আসছে সিট বৈধ করার জন্য এটা মোটেও সঠিক নয়। আমার কাছে আজ পর্যন্ত কেউ আসে নাই। একজন শিক্ষার্থী বাংলা বিভাগের সে কয়েকবার আসছিল কিন্তু তাকে বরাদ্দ দেয়নি। কারণ বাংলা বিভাগের ১৩ জন শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে হলে আছে তাই নতুন করে তাকে দিলে অন্য বিভাগের সাথে বৈষম্য করা হবে। আমি বলবো তারা যাদি বরাদ্দের লিস্ট ভালো করে এনালাইসিস করে তাহলে বুঝতে পারবে কারোর সাথে বৈষম্য করা হয়নি।

দুই স্ত্রী নিয়ে ইয়াবাসহ স্বামী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদ…
  • ১২ জুলাই ২০২৬
জুলাইকে ব্যঙ্গ করে এবার চবি অধ্যাপকের পোস্ট
  • ১২ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ হারায় কোচকে বরখাস্ত করল সেনেগাল
  • ১২ জুলাই ২০২৬
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মহারণ: কী বলছে অপ্টা সুপারকম্পিউটার?
  • ১২ জুলাই ২০২৬
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান …
  • ১২ জুলাই ২০২৬
আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের ১৯ জেলায় বজ্র ঝড়ের আভাস
  • ১২ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence