দেশের উন্নয়নে কাজ করার আহবান হাবিপ্রবি উপাচার্যের

১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:২৪ PM

যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ হতে ব্যাপক কর্মসূচি নেয়া হয়।

সোমবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম-এর নেতৃত্বে বিজয় র‌্যালি ক্যাম্পাস ও এর সামনের মহাসড়ক প্রদক্ষিন করে। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় উপাচার্য শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ, কর্মচারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান স্বাধীনতার জন্য আত্মৎসর্গকারী বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। বাণীতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রভাতী সূর্যের আলোয় ঝলমলিয়ে উঠেছিল বাংলার রক্তস্নাত শিশির ভেজা মাটি, অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সাড়ে তেইশ বছরের নির্বিচার শোষণ, বঞ্চনা আর নির্যাতনের কালো অধ্যায়। ত্রিশ লাখ শহীদের বুকের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি ও অগণিত মানুষের সীমাহীন দুঃখ-দুর্ভোগের বিনিময়ে আমরা বিজয় অর্জন করি। নয় মাসের নিষ্ঠুর-যন্ত্রণা শেষে এদিন জন্ম নেয় একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। প্রায় ৯২ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সূচিত হয়েছিল এই মহেন্দ্রক্ষণ।

বাণীতে আরও বলা হয় ৪৯ বছর পর আমরা যখন আরেকটি বিজয় দিবস উদযাপন করছি, তখন জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অন্য একটি বাংলাদেশ আমরা লক্ষ্য করছি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, পদ্মা সেতু, পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সবকিছুতেই আমাদের অগ্রগতি। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি ২০২১ সালের পূর্বেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত দেশে পরিনত হবে।

পরিশেষে, হাবিপ্রবি পরিবারের সবাইকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথা দেশের উন্নয়নে আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে পালনের আহ্বান জানাই।

এদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী, বিদেশী শিক্ষার্থী ও কর্মচারিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা এবং শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। রোববার থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও সোমবার বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

সরকারি বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ, মন্ত্রিসভার অনুমোদনে…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
ইরান কতদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে?
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
জুটি ভাঙল অস্ট্রেলিয়া
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
যুবককে কুপিয়ে হত্যার জেরে অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
ইজারাদারের কর্মীকে থাপ্পড় মারা সেই ইউএনওকে বদলি, বললেন ‘সরি’
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
‘মেইডেন ফিফটির’ দেখা পেলেন তানজিদ হাসান তামিম
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬