চীন সফরে কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলেছে: মাহাদী আমিন

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ PM , আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৯ PM
চীন সফরে কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলেছে: মাহাদী আমিন

চীন সফরে কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলেছে: মাহাদী আমিন © সংগৃহীত

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। মাত্র তিন দিনের সফরে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম উন্নয়ন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, চীনা ভাষা শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির মতো বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথাও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া সফরে একটি সমঝোতা স্মারক, একটি সার্ভিস সেন্টার এবং তিনটি পৃথক কেন্দ্র বা প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সাংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি। 

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, আমাদের খুব স্বল্প সময়ে এই তিন দিনের সফর যথেষ্ট ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরা জানি চীনের সাথে বাংলাদেশের একটা ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, যা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় শুরু এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় সেটা একটা ভিন্ন মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানও নির্বাচিত হয়ে আসার পরে মালয়েশিয়া এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পর তৃতীয় সফরে চীনে গিয়েছিলেন। আমরা দেখেছি যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য আসলে এমন একটা রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একই সাথে বাস্তব জীবনে কর্মক্ষেত্রে তারা যোগ্য এবং দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠবে।

তিনি বলেন, আমাদের এই সুবিস্তৃত দীর্ঘ পরিষদের শিক্ষা ব্যবস্থা সেখানে কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা রয়েছে, আমাদের গণশিক্ষা রয়েছে, মাধ্যমিক শিক্ষা রয়েছে, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা রয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, কারিগরি শিক্ষা রয়েছে এবং উচ্চ শিক্ষা রয়েছে। পৃথিবীর সব এডুকেশন সিস্টেমের মতন করে আমাদেরও কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থায় ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান বা ভাগ রয়েছে। 

চীন সফরের উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের চীন সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল কেবল মাত্র কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা নিয়ে কাজ করা। কারণ চীনের একটা দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে; তারা বিশ্বের অনেক দেশের সাথে তুলনা করে কারিগরি শিক্ষা খুব দক্ষতার সাথে ও স্বল্প খরচে প্রদান করতে পারে। সেটার গুণগত মান ভালো, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমির লিংকেজটা অনেক ভালো এবং বিশ্বজুড়ে তাদের অনেক সফলতার গল্প ও বেস্ট প্র্যাকটিস রয়েছে। কিভাবে তারা কারিগরি শিক্ষাটাকে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে আরো বেশি বাস্তবমুখী করেছে—যে কারণে চীনা সরকারের আমন্ত্রণে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সফর করেছিলাম। বেস্ট প্র্যাকটিস গুলাকে কিভাবে আমাদের দেশে কাস্টমাইজ বা গ্রহণ করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, আমাদের তিন দিনের খুব স্বল্প সফরে তিনটি প্রধান ইভেন্ট ছিল। প্রথমটি ছিল একটি হাই লেভেল ডিসকাশন, যেখানে চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন নিয়ে আমাদের এবং চীনের প্রায় ২০টির মতো প্রথম সারির কারিগরি ও বৃত্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ ছিল। সেখানে আমরা আলোচনা করেছিলাম যে কিভাবে আমরা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে আরো বেশি বাস্তবমুখী এবং কার্যকরীভাবে গড়ে তুলতে পারি। আমাদের একটি সিম্পোজিয়াম ছিল, যার বিষয় ছিল ‘টেকনিক্যাল এডুকেশন রিজিয়ন অ্যান্ড চায়না-বাংলাদেশ ইকোনমিক ট্রেড ট্যালেন্ট’। অর্থাৎ কিভাবে আমাদের যে ব্যাপক ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা প্রচুর পরিমাণ তরুণ-তরুণী ও যুবসমাজ রয়েছে, তাদের মেধা বিকাশের জন্য কারিগরি শিক্ষাকে কাজে লাগাতে পারি। এই আলোচনায় চীনের প্রথম সারির ১১টি ইনস্টিটিউশন অংশ নিয়েছিল। আমাদের আরেকটি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশ এবং চীনের ভিতরে কিভাবে আমরা এডুকেশন এক্সচেঞ্জ কনফারেন্সের মাধ্যমে আমাদের এই মেধা এবং সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারি। সেখানেও চীনের প্রথম সারির ১৯টি টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট অংশ নিয়েছিল।

মাহদী আমিন বলেন, চীনের ভোকেশনাল এডুকেশনের জন্য আলাদা একটি টাউন আছে যেখানে ১১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে যারা টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশন প্রদান করে, সেখানেও আমরা গিয়েছিলাম। বেশ কিছু ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিট করেছিলাম যেখানে ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমির মধ্যে পার্টনারশিপ হয়, যাতে আমরা দেখতে পারি স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্থানীয় বিভিন্ন সেক্টর বা ইন্ডাস্ট্রির সাথে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটগুলোর কিভাবে অংশগ্রহণ ও যোগাযোগ থাকে। এই সফরের মাধ্যমে আমাদের কিছু সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি রচিত হয়েছে। প্রথমত, আমাদের একটি এমওইউ বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেটির নাম ‘অন চায়না-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার ট্রেনিং’। অর্থাৎ আমাদের কারিগরি শিক্ষায় যে শিক্ষকরা ট্রেনিং দিবেন, সেই শিক্ষকদেরকে আমরা কিভাবে আরো প্রশিক্ষিত করতে পারি, তা নিয়ে আমাদের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আমাদের একটি নতুন প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে, যেটির নাম ‘চায়না-বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড এডুকেশন ইন্টিগ্রেশন ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস সেন্টার’।

এর পাশাপাশি আমাদের আরও তিনটি প্ল্যাটফর্ম বা সেন্টার হয়েছে, যেগুলো মূলত টেকনিক্যাল এডুকেশনকে আরও উন্নত করার জন্য ইন্টাররিলেটেড। তার মধ্যে একটি হলো ‘চায়না-বাংলাদেশ ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং সেন্টার’, দ্বিতীয়টি ‘বাংলাদেশ ভোকেশনাল এডুকেশন রিসার্চ সেন্টার’ এবং তৃতীয়টি ‘বাংলাদেশ-চায়নিজ ল্যাঙ্গুয়েজ প্লাস স্কিলস ডেভোলোপমেন্ট কোঅপারেশন সেন্টার’। তার মানে সামগ্রিকভাবে আমরা এই সফরের মধ্য দিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি, একটি সার্ভিস সেন্টার এবং তিনটি সেন্টার বা প্ল্যাটফর্মের চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এগুলোর লক্ষ্য হলো কারিগরি শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি লিংকেজের মাধ্যমে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়। এছাড়াও আমরা চীনে বেশ কিছু আরঅ্যান্ডডি (R&D) এবং ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি দেখেছি এবং লোকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটগুলোর সংযোগ কীভাবে তৈরি করা হয়, তা আমাদের ভিজিটের ভেতরে বিস্তারিতভাবে কভার করেছি।

ড. মাহদী আমিন বলেন, আমরা কিছু সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছি। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয়টি হলো তৃতীয় ভাষা। আমরা জানি শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষা ব্যবস্থার একটি ভিশন হচ্ছে যে আমরা আমাদের বাংলা এবং ইংরেজির বাইরে তৃতীয় একটি ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন বা চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজকে প্রাধান্য দিতে চাই। সুতরাং কিভাবে আমরা আমাদের কারিকুলামে এটি যুক্ত করব, চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজের টিচারদের বাংলাদেশে নিয়ে আসব এবং আমাদের টেকনিক্যাল এডুকেশনে ওনাদেরকে ইন্টিগ্রেট করব, তা নিয়ে আমাদের সুবিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। টিচারদের ট্রেনিং নিয়ে আলোচনা হয়েছে। টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশনকে কিভাবে আমরা মেইনস্ট্রিমে নিয়ে আসতে পারি, তা নিয়ে যেমন কথা হয়েছে, তেমনি কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি কোলাবোরেশন এবং কারিগরি ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে পার্টনারশিপ গড়ে তোলা, জয়েন্ট রিসার্চ বা আরঅ্যান্ডডির কাজ করা এবং জয়েন্ট ডিগ্রির কাজ করা নিয়ে কথা হয়েছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা চাই টেকনিক্যাল এবং প্রফেশনাল এডুকেশন নিয়েও বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা চীনে পড়তে যাক এবং এজন্য তারা যেন আমাদেরকে পর্যাপ্ত বৃত্তি প্রদান করে, যাতে ফ্রি স্কলারশিপের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা চীনে এসে পড়ার সুযোগ পায়। এ নিয়ে ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদে কথা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো চাইনিজ যে ইনস্টিটিউটগুলো বাংলাদেশে রয়েছে, তারা যেন এখানে এসে কাজ করার সুযোগ পায়। অর্থাৎ ইউনিভার্সিটি লেভেলে বাংলাদেশের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের সাথে চাইনিজ ইনস্টিটিউটের একটা সমন্বয় করা। বাংলাদেশে অনেক চাইনিজ বিনিয়োগ রয়েছে এবং সেই কোম্পানিগুলোতে যেন আমরা দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী সরবরাহ করতে পারি যাদের চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যাপারে একটা ধারণা থাকবে, সেটি আমাদের লক্ষ্য। এবং এটাও আলোচনা হয়েছে যে বিশ্বের অনেক দেশে চাইনিজ বিনিয়োগ রয়েছে, সেখানে যারা চাইনিজ ভাষা ভালো জানবে ও চাইনিজ ভাষায় দক্ষতা রয়েছে, তাদেরকে একটা আলাদা প্রাধান্য দেওয়া হয়। আমরা যদি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজটাকে প্রাধান্য দিই, তখন স্বাভাবিকভাবে আমাদের শিক্ষার্থীরাও কর্মক্ষেত্রে বেশি প্রাধান্য পাবে এবং তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

আমরা ভিসা প্রসেসিং কিভাবে সহজ করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করেছি। বিশেষ করে যখন চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজের শিক্ষকরা এখানে আসবেন এবং আমাদের বিভিন্ন ভোকেশনাল, টেকনিক্যাল বা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর সাথে চাইনিজ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বাড়বে। আমরা আশা করি চাইনিজ শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এখানে আসবেন ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটররা আসবেন এবং তাঁদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণে সহযোগিতার জন্য ইতিমধ্যে আমাদের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সাথে এ বিষয়ে চাইনিজ অ্যাম্বাসেডর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আলোচনা হয়েছে।

আজকে আমাদের এই খুব স্বল্প তিন দিনের সফরের মাধ্যমে আমরা মনে করি বাংলাদেশের সাথে চীনের যে পিপল টু পিপল টাইস (জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক) রয়েছে, কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে এটি একটি ভিন্ন মাত্রায় ও ভিন্ন ধারায় চলে যেতে পারে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে এই দুই দেশের আমাদের যে তরুণ প্রজন্ম রয়েছে, তাদের মধ্যে অংশীদারিত্ব, কর্মসংস্থান এবং পেশাগত একটি অবারিত সম্ভাবনা খুলে যেতে পারে। এই তিন দিনের সফর কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের একটা নতুন মানদণ্ড সেট বা মাইলফলক হতে পারে, কারণ কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে সরকারি পর্যায়ে এত বড় উদ্যোগ ইতিপূর্বে আমরা দেখিনি। আমরা ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি কোলাবোরেশন বাড়াতে চাই এবং এর মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষায় একটা নতুন ধারার প্রসার আসবে। অনেক সাধারণ স্টুডেন্টস রয়েছে যারা অনুপ্রাণিত হবে, কারণ এর মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থান ও কাজের সুযোগ তৈরি হবে।

শিক্ষামন্ত্রী সবসময় বলেন যে আমরা এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা চাই যেখানে শিক্ষাকে আমরা দক্ষতায় পরিণত করব, দক্ষতাকে কর্মসংস্থানে পরিণত করব এবং সেই কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য অবারিত সুযোগ তৈরি করব। আমাদের এই তারুণ্যই আগামী দিনের বাংলাদেশে সারা বিশ্বের সাথে মেলবন্ধন বা সেতু বন্ধন রচনা করবেন এবং তারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দুই হাত নেই, মুখে কলম ধরে দাখিল পাস রিয়াদের
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি ও ক্ষম…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁয় সাড়ে ৪২ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
ভারত সিরিজ নিয়ে আশাবাদী তামিম
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
ইজিবাইকচালক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
জাগদল থেকে বিএনপি: বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬