শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগ সুপারিশ পাননি ৬ হাজার প্রার্থী; তাদের সুখবর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীদের জন্য ৬ হাজার পদ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ১৮তম নিবন্ধন প্রাপ্তদের মধ্যে যে ৬ হাজার সুপারিশ পায়নি; তাদের পদ ফাঁকা রেখে পূণ্য পদে তথ্য পাওয়া ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
রোববার (৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারি স্কুল ও কলেজে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভাইভা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা এ আই পদ্ধতিতে নেয়ার চেষ্টা করছি। আমরা ভাবছি ভাইভায় যে প্রার্থী ফেল করবেন সেটাও ফেল। আরো কিছুদিন আমরা এআই দিয়ে ভাইভা নেয়ার চেষ্টা করছি। দেখা যাক যদি না হয় ম্যানুয়ালি ভাইভা নেয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। তবে প্রযুক্তিনির্ভর এই প্রক্রিয়া চালুর আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।