শিক্ষার্থী © ফাইল ফটো
একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পিন কোড পুনরুদ্ধার, ভর্তি আবেদনের টাকা পরিশোধ এবং আবেদন সাবমিটের অপশন নিয়ে এ ভোগান্তি বলে জানিয়েছেন তারা। এছাড়া একজনের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে অন্যজনের আবেদন করা নিয়েও অভিযোগ জানিয়েছেন তারা।
শিক্ষা বোর্ড বলছে, প্রতিবছরই একটি চক্র অন্য আরেকজনের রোল-রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে আবেদন করে থাকেন। এর ফলে অনেকেই বিড়ম্বনার শিকার হন। এই অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা জানতে রবিবার (০২ জুন) সকাল দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমারের সাথে।
আরও পড়ুন: এইচএসসির প্রস্তুতির সঙ্গে বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদন, আমেরিকার ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ
তিনি বলেন, একটি চক্র রয়েছে, যারা নানা উপায়ে শিক্ষার্থীদের রোল-রেজিস্ট্রেশন নাম্বার সংগ্রহ করে। এরপর প্রতারণার আশ্রয় নিতে অনলাইনে আবেদন করেন। এরপর অনেক শিক্ষার্থী আবেদন করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। যারা এ ধরনের সমস্যায় পড়েছেন তাদের দ্রুত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কলেজ শাখায় যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
পিন নাম্বার না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, মূলত গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের পিন নাম্বারগুলো এসএমএসএর মাধ্যমে পাঠানো সম্ভব হয়নি। আমরা অপারেটর পরিবর্তন করেছি। এখন এসএমএস পাঠানো শুরু হয়েছে। তবুও যদি কেউ পিন নাম্বার না পান তাহলে দ্রুত বোর্ডের কলেজ শাখায় যোগাযোগ করতে হবে।
গত ২৬ মে সকাল ৯টা থেকে অনলাইনে কলেজে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সার্ভার জটিলতার কারণে একদিন পর ২৭ মে থেকে আবেদন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থী অনলাইনে ভর্তির আবেদন করেছেন।