ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের বাইরেও বৈরি আবহাওয়ার কারণে যেসব পরীক্ষার্থী নির্ধারিত দিনে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননি, তাদের পরীক্ষাও চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের স্থগিত পরীক্ষার সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে একই সময়ে একই সূচিতে অংশগ্রহণ করতে না পারা পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নে হবে।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বিষয়ে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এসব কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এ সারাদেশের ২,৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ পাঁচটি জেলা তথা-চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও দেশের কিছু জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরীক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও বহুবিধ কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি।
প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতোমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অভিন্ন পরীক্ষাপত্রে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত একই তারিখ ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তাই বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হল।
বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নে দায়ী ব্যক্তিদের ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এসময় তিনি বলেন, আমি আবারও আশ্বস্ত করছি পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র ৬ ও ৭নং প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেয়া হবে।