ব্যবসায়ীদের জন্য বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি—লাগবে যেসব কাগজপত্র

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:১১ AM
‘বাংলা কিউআর’

‘বাংলা কিউআর’ © সংগৃহীত

দেশে ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ, নিরাপদ ও সর্বজনীন করতে ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১ জুলাই) থেকে কার্যকর হওয়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি অভিন্ন কিউআর কোড ব্যবহার করেই ব্যাংক কিংবা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) যেকোনো মাধ্যম থেকে অর্থ পরিশোধ করা যাবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীরা কীভাবে বাংলা কিউআর সংগ্রহ করবেন এবং এর জন্য কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ করতে বাংলা কিউআরকে একটি একীভূত ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চালু করা হয়েছে। এর ফলে শপিং মল, সুপারশপ, ছোট দোকান থেকে শুরু করে ফুটপাতের ব্যবসায়ী সবাই একই ধরনের কিউআর কোড ব্যবহার করে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।

বাংলা কিউআরের অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর কম খরচ এবং সহজ ব্যবহার। প্রচলিত কার্ডভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণে যেখানে ব্যয়বহুল পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন প্রয়োজন হয়, সেখানে বাংলা কিউআরের জন্য একটি সাধারণ কিউআর স্টিকারই যথেষ্ট। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও সহজেই ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারবেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেকোনো ক্ষুদ্র, মাঝারি বা বড় ব্যবসায়ী খুব সহজেই তার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলা কিউআর কোড সংগ্রহ করতে পারবেন।

এ জন্য প্রথমেই আবেদনকারীর যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকে একটি সেভিংস, কারেন্ট অথবা এসএনডি (SND) অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিকে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটল

এরপর ব্যক্তির নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং একটি বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে নির্ধারিত বাংলা কিউআর আবেদন ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা কর্মকর্তা বা ব্যবস্থাপকের কাছে জমা দিতে হবে।

আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শাখা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সেটি ব্যাংকের মূল কার্ড বিভাগে পাঠাবে। সাধারণত তিন থেকে চার কার্যদিবসের মধ্যেই কিউআর কোড প্রস্তুত হয়ে যায় এবং এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদনকারীকে তা জানিয়ে দেওয়া হয়।

পরে ব্যাংকের শাখার সিএমএস সফটওয়্যারে কিউআর কোড আপলোড হওয়ার পর ব্যবসায়ী শাখা থেকে সেটি প্রিন্ট করে সংগ্রহ করে নিজের দোকানে প্রদর্শন করতে পারবেন।

যেসব কাগজপত্র লাগবে

মাসিক লেনদেনের পরিমাণের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক মার্চেন্টদের দুইটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।

মাসিক ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী মাইক্রো মার্চেন্টদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে ব্যবসায়ীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং এক কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

অন্যদিকে, মাসিক ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেনকারী রেগুলার মার্চেন্টদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ই-টিন সনদ এবং সর্বশেষ করবর্ষের টিন রিটার্ন জমার স্লিপ জমা দিতে হবে।

ময়লার ভাগাড়ে পড়ে ছিল নবজাতকের মরদেহ
  • ০২ জুলাই ২০২৬
এইচএসসি পরীক্ষার আগে প্রাণ গেল পরীক্ষার্থীর
  • ০২ জুলাই ২০২৬
সিলগালা করা ওয়ার্ডের চাবি ফিরে পেল আদ্-দ্বীন
  • ০২ জুলাই ২০২৬
ডিআইইউ পরিদর্শনে স্লোভেনিয়ার সাবেক এমপি টাডেজ স্ল্যাপনিক
  • ০২ জুলাই ২০২৬
ইবি শিক্ষক নিয়োগে রিটেইক ইস্যু: অযোগ্যতা মানতে নারাজ সিনিয়…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
রাবিতে ‘হল দখল’ নিয়ে ছাত্রদল-শিবিরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
  • ০২ জুলাই ২০২৬