প্রতীকী ছবি © এআই সৃষ্ট
সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণ সহজ ও নিরাপদ করতে এবং ক্যাশলেস ডিজিটাল ইকোনোমি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) ও ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আইসিটি, টেলিযোগাযোগ ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি খাতে এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আইসিটি এবং টেলিযোগাযোগ খাতকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে আগামী পাঁচ বছরে এ খাতের অবদান জিডিপির ১-২ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেট সূত্রে জানা গেছে, আইসিটি, টেলিযোগাযোগ ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি খাতে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে। এতে দেশের সব নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই দেশের সব বিমানবন্দর, ৭টি রেলওয়ে স্টেশন এবং আন্তঃনগর ট্রেনে বিশ্বমানের উচ্চগতির বিনামূল্যের ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে, যাতে জনগণ সুফল পাবে বলে আশা করা যায়।
এছাড়া, আগামী ২ বছরের মধ্যে দেশের ৯০ শতাংশ জনগোষ্ঠীর কাছে 5G সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সকল মোবাইল অপারেটর ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনদের সাথে নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দেশব্যাপী শহর ও গ্রাম অঞ্চলে ১০০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট নিশ্চিত করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দেশ ও দেশের বাইরে বাংলাদেশের প্রযুক্তিবিদ এবং উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি উদ্যোক্তাসহ বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সাথে নিয়ে সমন্বিত পলিসি ও রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক এবং সময়োপযোগী আর্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে একটি শীর্ষস্থানীয় ‘গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফাকচারিং হাব’-এ রূপান্তর করার লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।