অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল © ফাইল ছবি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় নতুন করে বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুইদিন নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবেন শিক্ষকরা। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকদের বদলি করবে সরকার।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষকদের বদলি আবেদন শেষ হওয়ার পর নতুন করে আর সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই। ফলে ১৩ সেপ্টেম্বর আবেদন শেষ হওয়ার পরই ওই সপ্তাহের মধ্যেই শিক্ষকদের বদলি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বদলি হওয়ার জন্য ১০ দিন সময় পাবেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বদলি আবেদনগ্রহণ শেষ হওয়ার দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে বদলির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এক মুহূর্তও দেরি করার পরিকল্পনা আমাদের নেই। যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষকদের বদলি করা হবে।’
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলিতে ভুল তথ্য দিয়েছেন অসংখ্য প্রতিষ্ঠানপ্রধান। এতে বদলি আবেদনে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে শিক্ষকদের। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট প্রধানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
শিক্ষকদের ক্ষোভের বিষয়টি অনুধাবন করেছেন মাউশি কর্মকর্তারাও। তারা বলছেন, বদলি আবেদনে যে সমস্যাগুলো দেখা দিয়েছে তার ৯৫ শতাংশই প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণে হয়েছে। শূন্য পদ না থাকলেও পদ ফাঁকা দেখানো হয়েছে। আবার পদ ফাঁকা থাকলেও তথ্য দেওয়া হয়নি।
কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বারবার নির্ভূলভাবে তথ্য প্রদানের তাগাদা দেওয়া হলেও তারা ভুল করেছেন। এ ভুলগুলোর কারণে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মত তাদের।
জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘কেউ যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল তথ্য দেয় তাহলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দিতে হবে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’