জাল সনদে ৪৭১ শিক্ষক, অ্যাকশন শুরু মাউশির

২২ মে ২০২৬, ০৬:৩০ PM
মাউশি

মাউশি © ফাইল ছবি

দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত জাল বা ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে গেছে সরকার। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) কর্তৃক শনাক্তকৃত ৪৭১ জন জাল সনদধারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরই প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অভিযুক্তদের এমপিও বাতিল এবং নিয়োগ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সম্প্রতি মাউশির বেসরকারি কলেজ শাখা-৩ এর সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে ৪৭১ জন জাল বা ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের একটি তালিকা প্রেরণ করা হয়। এই তালিকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন এবং কারিগরি পর্যায়ের ৫ জন শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের প্রেরিত ওই পত্রে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসারে তালিকাভুক্ত এই ৪৭১ জন জাল সনদধারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগকে অবহিত করার জন্য মাউশিকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনার আলোকেই দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলাধীন দেওগাঁও বকুল তলা ডিগ্রি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক মো. সাদেকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত জাল সনদধারীদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‘‘এই অবস্থায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কেন তার এমপিও বাতিল বা স্থগিত করা হবে না এবং গভর্নিং বডি কর্তৃক তার নিয়োগ কেন বাতিল করা হবে না—সে বিষয়ে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।’’ নোটিশ পাওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে এই জবাব দাখিল করার জন্য তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই আদেশটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি ও অধ্যক্ষের কাছে এর অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ হয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরীক্ষার মাধ্যমে। ডিআইএর প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৪৭১ জনের মধ্যে ১৯৪ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল। এ ছাড়া ২২৯ জনের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ ও ৪৮ জনের বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার বা অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ভুয়া বা জাল।

শিক্ষকদের বদলি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে ত্রিপক্ষীয় সভা
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন বেতন স্কেলে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্…
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাড্ডা সেন্টারে হামলায় জড়িত সমিতিতে বিএনপির নারী এমপির যুক্…
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৬ বছরেই ইতিহাস কাভানের, অভিষেকেই যুক্তরাষ্ট্রের জার্সিতে ব…
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সচিবালয়ে কারও সাক্ষাৎ না পেয়ে ফিরলেন প্রাথমিকের নিয়োগপত্র ন…
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচার…
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬