মাউশি © ফাইল ছবি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত প্রায় এক হাজার শিক্ষক-কর্মচারী আসন্ন বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন না। এই শিক্ষক-কর্মচারীর প্রতিষ্ঠান থেকে বৈশাখী ভাতার প্রস্তাব জমা না দেওয়ায় এমন শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, শনিবার রাত পর্যন্ত এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলে এক হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর বৈশাখী ভাতার বিল জমা হয়নি। এই শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য বাদ রেখেই বৈশাখী ভাতার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে। ফলে বিল সাবমিট না করা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতা পাবেন না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বৈশাখী ভাতার জন্য এক হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী বিল সাবমিট করেননি। তাদের বিলের হিসেব ছাড়াই প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে। এই এক হাজার শিক্ষক-কর্মচারী বিল সাবমিট না করায় তারা বৈশাখী ভাতা পাবেন না।’
জানা গেছে, প্রতি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের প্রস্তাব পাঠান প্রতিষ্ঠান প্রধান। অনলাইন বিল দাখিলের পর তা যাচাই-বাছাই শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতনের অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ব্যাংকে পাঠায় কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত প্রদান নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চালু করেছে। এর ফলে এখন বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ আরও স্বচ্ছ হচ্ছে।