অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ © ফাইল ফটো
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আজাদ খান বলেছেন, ‘বিএড স্কেল সমস্যা নিরসনে কাজ করছি। আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয় একটি কমিটিও করেছে। সবকিছু বিবেচনা করে এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
সম্প্রতি সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষের সামনে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
কতদিনের মধ্যে বিএড স্কেল সমস্যা সমাধান হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে মাউশি ডিজি বলেন, ‘কতদিন লাগবে সেটি বলা যাচ্ছে না। তবে আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করবো।
জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন ৯২টি কলেজের বিএড ডিগ্রির মান একই হলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেবলমাত্র ২৩টি কলেজ থেকে বিএড ডিগ্রি অর্জন করা প্রার্থীদের বিএড স্কেল দিচ্ছে। এই কলেজগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও রিটের মাধ্যমে তারা বিএড ডিগ্রির বৈধতা পায়। এর ফলে অসংখ্য শিক্ষক বিএড ডিগ্রি অর্জন করেও স্কেলবঞ্চিত হচ্ছেন।
বিএড স্কেলবঞ্চিতদের অভিযোগ, আদালতে রিটের মাধ্যমে ২৩টি কলেজ একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিএড ডিগ্রি দেওয়ার বৈধতা দেয়। তবে আদালতের রায়ের ভুল ব্যাখ্য দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ২৩ কলেজের বাইরে বিএড স্কেল দেওয়া যাবে না মর্মে নোটিশ জারি করেন। রিট করা কলেজগুলো মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এমন নোটিশের ব্যবস্থা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। এর স