স্ট্যান্ডার্ড মানের গবেষক অধ্যাপক ফারুক, তার পাশে ঢাবি নয় সমগ্র জাতি রয়েছে

১৬ জুলাই ২০১৯, ০৬:১৪ PM

অধ্যাপক ফারুককে স্ট্যান্ডার্ড মানের গবেষক বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বাজারে প্রচলিত পাস্তুরিত দুধের গবেষণা নিয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলের সমালোচনা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাবি উপাচার্য। তিনি বলেছেন, ‘অধ্যাপক ফারুক একজন স্ট্যান্ডার্ড মানের গবেষক। তিনি জনস্বার্থেই গবেষণাটি করেছেন। একজন গবেষক হিসেবে তিনি তার মৌলিক দায়িত্বই পালন করেছেন। এটি নিয়ে বিতর্ক তোলার আগে এই গবেষণা মানের আরেকটি গবেষণা করা উচিত ছিল।’

এছাড়া অধ্যাপক ফারুকের পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তার পক্ষে সমগ্র জাতি থাকবে। আর তিনি তো ঢাবির অধ্যাপক হিসেবেই গবেষণার করে ফল প্রকাশ করেছেন। এজন্য তাকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।’

ঢাবি উপচার্য আরও বলেন, এভাবে যেনতেনভাবে গবেষণা নিয়ে প্রশ্ন তুললে সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন ঢাবি উপচার্য। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজই হলো গবেষণা করা। এখানে প্রচুর গবেষণা হবে। বিশেষ করে এখানে জনস্বার্থে গবেষণা হওয়া বেশি জরুরি। জনস্বার্থে এ ধরনের গবেষণা করা বিশ্ববিদ্যালয়েরও মৌলিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, আ ব ম ফারুকও তেমনি একজন গবেষক। যার সে রকমের গবেষণা করার স্ট্যান্ডিং মানও রয়েছে। তিনি মৌলিক ধারার মানুষ। অনেক আগে থেকেই তিনি বিভিন্ন খাদ্যের মান নিয়ে কথা বলেন আসছেন। যখনই কোনও বিষয় নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়, তখন তিনি চমৎকার কথা বলেছেন। এটা মূলত তার অধিকার। ফলে তিনি যে গবেষণা করেছেন, সে গবেষণার ফলটি প্রকাশ করেছেন। এটাই তো তার কাছে প্রত্যাশিত। কারণ, তিনি সৎ সাহস নিয়ে এ ধরনের গবেষণা করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘এ গবেষণাটি নিয়ে যারা বিতর্ক করছেন তাদের উচিত ছিল পাল্টা আরেকটি গবেষণা করে এরপর কথা বলা। তখন গবেষণাটি সম্পর্কে ধারণা করা যেতো। কিন্তু তা না করে গবেষণার ত্রুটি খোঁজা কোনোভাবেই কাম্য না এবং এটিকে বিতর্কিত করলে আমাদের কোনোক্রমে আপস করা ঠিক হবে না।’

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাতটি প্যাকেটজাত (পাস্তুরিত) দুধসহ ৭২টি খাদ্যপণ্য নিয়ে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এই গবেষণায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাতটি প্যাকেটজাত (পাস্তুরিত) দুধের নমুনা পরীক্ষা করে সেগুলোতে মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহৃত শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু প্রতিবেদনটির দায় নিচ্ছে না খোদ ফার্মেসি বিভাগই। এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যও ঢাবি শিক্ষকদের ওই রিপোর্টকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। এছাড়া গবেষণা প্রটোকল না মানার অভিযোগ তুলে এর বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়া হবে বলে জানান মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন। ওই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বায়োমেডিকেল সেন্টারের পরিচালক এবং ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। 

কর্মচারী নিয়োগ দেবে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্য…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
জানাজার সময় তদন্ত করতে গিয়ে হামলার শিকার দুই পুলিশ, রাতেই ব…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, চরিত্র ও আমাদের জন্য আদ…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
‘তোমরা লেখবা, আর আমরা তো তোমাদের পিটাব’—বক্তব্য নিতে ফোন কর…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
বিশ্ববাজারে দাম কমল তেলের
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর যুবদল নেতার নেতৃত্বে হামলার অভিযোগ,…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬