ডাকসু নির্বাচনের অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে কুয়েত মৈত্রী হলে ভোট বর্জন করা হয় © ফাইল ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কোন ধরণের ‘কারচুপি’র প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি। ডাকসু নির্বাচনের অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য গঠিত কমিটির পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ভবিষ্যতে ডাকসু নির্বাচনকে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারেও পরামর্শ দিয়েছে এই কমিটি। ব্যালট পেপারে নম্বর থাকা ও ভোটারদের হাতে অমোচনীয় কালি ব্যবহারের ব্যাপারে সুপারিশ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে সিন্ডিকেটের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিন্ডিকেটের ওই সভায় উপস্থিত একজন সিনিয়র সদস্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ ব্যাপারে সিন্ডিকেট সদস্য ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবির বলেন, নির্বাচনের দিন কোনও শিক্ষার্থী ভোট দিতে পারেনি এরকম কোনও লিখিত অভিযোগ নেই। কেউ বলেনি যে, সময় শেষ বা বাধার সম্মুখীন হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে কোনও ঝামেলা হয়েছে বলেও কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। হলের ভেতরে কোনও বিশৃঙ্খলা হয়েছে বলে তদন্ত কমিটির চোখে পড়েনি। শুধু ভোটারদের সারির ক্ষেত্রে একটু অব্যবস্থাপনা হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এটা না হয়, সে ব্যাপারে সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনের পর বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৮ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। গণিত বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক সাজেদা বানুকে আহ্বায়ক করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।