‘গুণগত শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৯৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে আগামী ১ জুলাই। এইদিন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠটি ৯৯ বছরে পা দিবে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির এক প্রস্তুতি সভা নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রণয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন, রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান, সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়াম্যানগণ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, অফিস প্রধানগণ, ডাকসু’র নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সমিতির প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি অনুযায়ী দিবসটি উপলক্ষে ঐদিন সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মলে জমায়েত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় শোভাযাত্রা সহকারে টিএসসিতে গমন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন।
সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে ‘গুণগত শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইংরেজি বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে শিশুদের জন্য চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট, হল এবং ডাকসু’র উদ্যোগে আলোচনা সভাসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।