আশুলিয়া থানায় সংবাদ সম্মেলন © টিডিসি ফটো
দুপুরে আশুলিয়া থানায় সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আশুলিয়ার ভাদাইল পশ্চিমপাড়ার একটি ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ঘটনাটির তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন মো. সাইফুল ইসলামের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে সাইফুলের দেখানো ও শনাক্ত মতে একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ, দুই টুকরা ইলাস্টিক এবং ঘরের মেঝে ও খাটের নিচে ছড়িয়ে থাকা চাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার বারান্দার নিচে স্কচটেপে মোড়ানো একটি রোল পাওয়া যায় বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এসব আলামত উদ্ধারের পর সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে একদিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও প্রথমে তিনি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাইফুল প্রাথমিকভাবে শিশু আব্দুর রহমান তাসনিকে হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশের দাবি।
আরও দেখুন: বম্বে সুইটসের মসলা, বাঘাবাড়ির ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের
পরে সাইফুলকে গ্রেফতার করে দুই দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি শিশু তাসিনকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’