আলোচনায় অংশ নিতে ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত
২৮ বছর পর হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা গঠনতন্ত্র যুগোপযোগী করতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর সাথে বৈঠকে বসছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৈঠকে যোগ দেয়ার জন্য বিভিন্ন সংগঠনের শাখা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে চিঠির মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ছাত্র নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আলোচনায় সদস্য পদ, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা, সেক্রেটারিয়েট এসব বিষয় প্রাধান্য পাবে।ছাত্রলীগ, ছাত্রদল থেকে শুরু করে বাম ছাত্র সংগঠনের নেতারা এ বিষয়ে নিজস্ব প্রস্তাবনা তুলে ধরবেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে, একটি বাম সংগঠনের সভাপতি দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাবনায় সদস্য পদ কারা পাবে, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নির্ধারণ ও সেক্রেটারিয়েটের ক্ষমতা নিয়ে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে।’
বৈঠকে অংশ নিতে যাওয়া অন্য এক ছাত্র সংগঠনের নেতা দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বর্তমানে যে সংবিধান আছে সেখানে প্রেসিডেন্টকে সর্বাত্মক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ইচ্ছে করলে যে কাউকে বহিষ্কার করতে পারে, আমরা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করার প্রস্তাব রাখব।’
গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ ও আইন বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়ে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, কবি জসীমউদ্দীন হলের প্রাধ্যক্ষ ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহ, রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জিনাত হুদা এবং শামসুন নাহার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সুপ্রিয়া সাহা।
ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল অনেক ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বই নিয়মিত শিক্ষার্থী নন। সেক্ষেত্রে ছাত্রসংগঠনগুলো তাদের শীর্ষ নেতাদের ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী করতে এমফিল বা একাধিক স্নাতকোত্তর করছেন, এমন শিক্ষার্থীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রাখার দাবি জানাবে।