অধ্যক্ষের অনিয়মের খোঁজে দুদকের চিঠি

০৩ জানুয়ারি ২০২২, ০১:৩৭ PM
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম। © সংগৃহীত

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগমের অবৈধ সম্পদের খোঁজে অন্তত ৬৮টি প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে দুদক। সোমবার (৩ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তার বিরুদ্ধে উঠা দুর্নীতি ও অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ওইসব প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

যেসব প্রতিষ্ঠানে চিঠি দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রার, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন (সিএসসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সরকারি-বেসরকারি ৫৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন: শৈত্যপ্রবাহ আসছে

এর আগে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গত ১৫ নভেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগমকে প্রায় তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এ সময় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি। অধ্যক্ষ শাহান আরা বলেন, ‘অভিযোগের সত্যতা নেই, নীতি বহির্ভূত কোনো কাজ হয়নি। ভর্তি-বাণিজ্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। এত বড় প্রতিষ্ঠান, এখানে গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভর্তি করা হয়। কেউ বাণিজ্য করে থাকলে আমার জানার কথা নয়।’ 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগম আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের যোগসাজশে শিক্ষার্থী ভর্তিতে অনৈতিকভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। ২০১৯ সালে মতিঝিল শাখায় এসএসসি ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণেরও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। টেস্ট পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী অনুত্তীর্ণ হন তাদের কাছ থেকে বিষয়প্রতি ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করে ফরম পূরণের সুযোগ দেন অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগম। পরে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ ওই পরীক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হয় বলে জানা গেছে।

এছাড়া আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল শাখা মতিঝিলসহ বনশ্রী ও মুগদা শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে অনৈতিকভাবে টাকা নেওয়ারও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। জানা যায়, শিক্ষার্থীপ্রতি চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। প্রাথমিকভাবে স্কুল ফান্ডে ওই টাকা জমা হলেও পরবর্তী সময়ে অধ্যক্ষসহ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা তা ভাগ করে নেন। এভাবে শাহান আরা বেগম দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের একাধিক পদে চাকরির সুযোগ

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘বিশেষ ক্লাসের’ নামে বাধ্যতামূলক অর্থ আদায়ের অভিযোগ পেয়ে ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বনশ্রী শাখায় অভিযান চালায় দুদকের একটি অনুসন্ধানী দল। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আতাউর রহমান সরকার ও উপ-সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়ার সমন্বয়ে গঠিত দল অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। ওই সময় অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত জব্দ করে দুদক।

২০১৯ সালের মে মাসে দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র ঘষামাজা করে নম্বর দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড।

উল্লেখ্য, গত ২৯ আগস্ট দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগমের অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অনির্দিষ্টকালের বন্ধ সিলেটে সব পেট্রোল পাম্প
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
সংসদ থেকে ওয়াক-আউট, যা বললেন বিরোধীদলীয় নেতা
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
স্বামীর কাছে যাওয়ার আগের দিন ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল গৃহবধূর লাশ
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
ব্যক্তি উদ্যোগে মহাসড়ক থেকে ময়লার স্তুপ অপসারণ
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিস সূচি পরিবর্তনের বিজ্ঞপ্তিটি ভু…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
দেশের ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence