আগুনে জ্বলসে যাওয়া পাহারার ঘর © টিডিসি ফটো
চোরের হাত থেকে মাছ বাঁচানোর জন্য পাহারা দেয়ার ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এলাকার আটজনের বিরুদ্ধে।
রবিবার দিনগত রাতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের খটখটিয়া কৃষ্টপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে এমনটা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন, গ্রামের মৃত্যু কমেজ উদ্দিনের পুত্র কহিনুর (৫৫) শহিদুল ইসলাম (৫০) শাহিনুর (৪৫) কহিনুর এর পুত্র মিম (২৫) জিয়াম (২০) শহিদুলের পুত্র সোহাগ (২০) মৃত্যু হাসেন আলীর পুত্র আক্কাস আলী (৫০) আরমান আলী (৪০)।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কৃষ্টপুর গ্রামের দাগ নং ৪৮এর ১২৫/১৪১ এর মধ্যে ৩.৬৯ একর জমিতে দেশী প্রজাতির মাছ চাষ করেছিলেন পশ্চিম খোদাইপুর (নয়াপাড়া) গ্রামের সামছুল হক ওরফে শমসের আলী (মাষ্টার)। রাতের আধাঁরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে মাছ পাহারা দেয়ার ঘরে প্লাসটিকের বোতলে ডিজেল ভরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। এ সময় ঘরে কেউ না থাকায় সন্ধা সাড়ে ৭ টায় পাহারাদার জাহিদুল ও মোশাররফ হোসেন এসে দেখে আগুন জ্বলতেছে। পরে পুকুর থেকে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুকুর মালিক শমসের আলী জানান, এর আগেও কহিনুর ও তার অনুসারীরা বিভিন্নভাবে আমার ক্ষতিসাধন করেছে। কিন্তু আমি এর কোনো প্রতিকার পাইনি। এর মধ্যে ৯১/১০০ জিআর বিরামপুর থানা মামলা করে জমিতে মারামারির ঘটনায়। ৩০০সি/১২ ধান চুরির মামলা দেয়, নবাবগঞ্জ থানার জিডি ৫৮৩ ইউক্যালিপটাস গাছ উপড়ে ফেলে জমি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে ২১৯/০৯ জিয়ার বিরামপুর থানা ভাঙচুর মামলা।
মাছের পাহারাদারের ঘরে আগুন দিয়ে পোড়ানোর ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলেতেছে বলে পুকুর মালিক শমসের আলী জানান।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কহিনুর দ্যা ডেইল ক্যাম্পাসকে বলেন, এ ঘটনার সাথে আমি এবং আমার পরিবারের কেউ জড়িত নয়।