কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত টেকনাফের রঙ্গিখালী গহিন পাহাড়ে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চার কর্মকর্তাসহ পাঁচজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, নিহত তিন যুবক চিহ্নিত ডাকাত দলের সদস্য। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। নিহতরা হলেন- সৈয়দ আলম (৩৬) ও তার ভাই নুরুল আলম (৩৭) টেকনাফের জুম্মাপাড়া রাঙ্গীখালী এলাকার মৃত আবদুল মজিদ প্রকাশ ভোলাইয়া বৈদ্যর ছেলে এবং আবদুল মোনাফ (২২) একই এলাকার সাব্বির আহাম্মদের ছেলে।
টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে রঙ্গিখালীর গহিন পাহাড়ে ডাকাতের আস্তানায় অভিযানে যায় পুলিশ। ডাকাত দলের আস্তানা ঘেরাও করে ফেললে তারা পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণ করতে থাকে।
এতে পুলিশের চার কর্মকর্তাসহ পাঁচজন আহত হন। পুলিশও পাল্টা গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এ সময় উভয়পক্ষে শতাধিক রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়।
পুলিশ-ডাকাত দলের গুলিবিনিময়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন ডাকাত সৈয়দ আলম, নুরুল আলম ও আবদুল মোনাফ। এ সময় ডাকাত গ্রুপের আস্তানা থেকে ১৮টি বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ২০০ রাউন্ড গুলি ও ৫৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
ওসি জানান, নিহতরা চিহ্নিত ডাকাত দলের সদস্য। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
নিহত ডাকাত সদস্যদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।