মো. হোসেন আলী © সংগৃহীত
মেহেরপুরের গাংনীতে বিভিন্ন সময়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনার মূল হোতা মো. হোসেন আলী ওরফে ‘বোমা হোসেন’ (৫০) ব্যক্তিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বোমা হোসেনের নিজ বাড়ি থেকে দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হোসেন আলী গাংনী উপজেলার পূর্ব মালসাদাহ গ্রামের মৃত ওহিল উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতিপূর্বে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে হোসেন আলীর সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ৬ দশকেও লাইব্রেরিতে জায়গা হয়নি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের ধারাবাহিকতায় হোসেন আলীকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নিজ বাড়ি থেকে দুটি ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলাসহ সাতটি জিআর ওয়ারেন্ট রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। হোসেন আলীর সহযোগীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।