স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

প্রায় ৯ বছর আগে ঢাকার মধ্য বাড্ডা এলাকায় স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী মনির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী এ রায় দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. আবুল কাশেম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন,‘দণ্ডের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।’ মামলায় মনির হোসেন জামিনে ছিলেন।  গত ১৪ জুলাই রায়ের দিন ধার্যের পর (যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে) আদালত জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

এদিন রায় ঘোষণার আগে তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

মামলার বিবরণ থেকে, ২০০৩ সালের দিকে মনির হোসেনের সাথে শাকির খাতুন সোমা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর কিছুদিন তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করে। কিছুদিন যেতে না যেতেই মনির ও তার পরিবারের সদস্যরা সোমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে শুরু করে। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সোমা তা মেনে নেয়। মনির ব্যবসার কথা বলে সোমাকে চাপ দেয়। সোমার পরিবার বিভিন্ন সময় তাকে ১১ লাখ টাকা দেয়। সোমার দুই বোনও তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করে। আরও টাকার জন্য তাকে নির্যাতন করত। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মনির সোমাকে নির্যাতন করে বাসা থেকে বের করে দেয়। সোমা তার মায়ের বাসা বাড্ডায় চলে যায়। আর কখনো এমনটা করবে মর্মে অঙ্গীকার দিয়ে সোমাকে কয়েকদিন পর নিয়ে আসে মনির। তারপরও নির্যাতন কমেনি। ৬ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বাধে। একপর্যায়ে মনির ছুরি দিয়ে সোমাকে জবাই করে। সোমাকে আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় সোমার মা মোসা. আক্তার বানু ওইদিনই বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার করা হয় মনিরকে। সে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকর্তা বাড্ডা থানার এসআই বায়েজীদ বোস্তামী। ২০১৮ সালের ১৭ মে মনিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ আদালত থেকে আসামির সাজার রায় এলো।

হামে প্রাণহানি ৯০০ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় মারা গেল ৮ জন
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
৬০৩ পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ১২ ট্রাক, বিপুল পরিমাণ ব্যয়—তবু রাস্ত…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
ফলাফল নয়, ভিন্ন পরিকল্পনায় এগোতে চায় বাংলাদেশ
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে চাকরি, আবেদন ২৭ আগস্ট পর্যন্ত
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
কেন্দুয়ায় প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকের ১১০ পদ শূন্য, পাঠদান ব…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
এইচএসসির সনদেই স্নাতক পাসের চাকরি, পেয়েছেন পদোন্নতিও, উদ্যো…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬