টাইমস হাইয়ার এডুকেশন র‌্যাংঙ্কিং

ঢাবি ১-১০০০ থেকে ছিটকে ১০০১-১২০০, আর পাকিস্তানের কায়েদ আজম বিশ্ববিদ্যালয় ৫৫১-৬০০

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ PM , আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ PM
অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন © সংগৃহীত

টাইমস হায়ার এডুকেশন র‌্যাংকিংয়ে দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রতিষ্টান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১০০০ এর বাইরে চলে যাওয়ায় ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছেন ঢাবির পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান কমলেও প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান বৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তিনি।

বুধবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে ড. কামরুল হাসান মামুন ঢাবির সঙ্গে পাকিস্তানের তুলনা টেনে লিখেন, ‘ টাইমস হাইয়ার এডুকেশন র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নেমে এখন ১-১০০০ থেকে ছিটকে ১০০১ থেকে ১২০০ এর মধ্যে গিয়ে ঠেকেছে। আর পাকিস্তানের কায়েদ-এ আজম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেঙ্কিং হয়েছে ৫৫১-৬০০ এর মধ্যে। আর ভারতের কথা কি বলব। ভারতের সেরা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স এর অবস্থান হলো ২৫৪! এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের ফেকাল্টিদের কথা যদি বলি সেটা এমআইটি, কেমব্রিজ, হার্ভার্ডের ফ্যাকাল্টি থেকে কোন অংশে কম না।’

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি আরও ‍লেখেন, ‘তারপর আসি চীনের কথা, আগাতে আগাতে চীনের সেরা প্রতিষ্ঠান   যেইদিন ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিংয়ে চীনের Tsinghua University-র রেঙ্কিং হলো ১১ আর পীকিং ইউনিভার্সিটির র‌্যাংকিং ১৩!  আজ থেকে ২০ বছর আগে কেউ কল্পনাও করতে পারতো না আজকের অবস্থানে আসবে। যেইদিন চীনের কোন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়ার্ল্ড রের‌্যাংকিংয়ে ১ নম্বরে আসবে সেই দিনই চীন হবে পৃথিবীর এক নম্বর সুপার পাওয়ার। চীনের উন্নতির সাথে চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন হাত ধরাধরি করে এগুচ্ছে। আমেরিকা এক নম্বরে কারণ আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়। ইংল্যান্ড, জার্মানি, সিঙ্গাপুর এত উন্নত কারণ তাদের বিশ্ববিদ্যালয়।’

কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি লেখেন, ‘অনেকেই র‌্যাংকিংকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করে। খারাপ করলে ধান্দাবাজরা তাই করে। দুর্নীতিতে র‌্যাংকিংয়ে যখন ১ নম্বর হই তখনও আমাদের সরকার এমন কথা বলে। কিন্তু শেষ কথা হল র‌্যাংকিং ম্যাটার্স। এই যে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি এটাও বলে দিচ্ছে আমরা এগুচ্ছি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কি এই অধঃপতনের লক্ষণ কখনো কান পেতে শোনার বা চোখ মেলে দেখার চেষ্টা করেছে? বিশ্ববিদ্যালয় যদি মেধাবীদের ধরে না রাখতে পারে সেই বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে সামনে আগাবে? গত দশ বছরে কত শত মেধাবী চাকুরী ছেড়ে চলে গেছে সেই হিসাব কি কারো কাছে আছে?’
 

বিএলআরআইয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্র…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৯ তম বিসিএস: প্রথম হয়ে গেজেট থেকে বাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নোবেলজয়ী ইয়োন ফসের ‘সুসানাহ্’ প্রথমবার বাংলাদেশে মঞ্চস্থ
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সফরে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখা…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছে তৃতীয় শ্রেণির তালহা, চিকিৎ…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এআই গবেষণা-থিসিসে এআইইউবি ও ব্রেইন স্টেশন ২৩-এর সমঝোতা
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬