বাসায় একা পেয়ে সাত বছরের শিশু ধর্ষণ, বাড়িওয়ালা গ্রেপ্তার

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০২ PM
রাজধানীর ধামরাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবদুল বারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজধানীর ধামরাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবদুল বারেককে গ্রেপ্তার করা হয়। © সংগৃহীত

বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক কর্মচারীর সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আবদুল বারেক (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে রাজধানীর ধামরাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন তিনি।

পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার দত্তপাড়া এলাকায় বসবাসরত ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এক কর্মচারীর সাত বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করে বাড়িওয়ালা বারেক মিয়া। সাভার মডেল থানায় এ নিয়ে মামলা দায়েরের পর পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। বিরুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আল আমিনের নেতৃত্বে একটি দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ১৪ এপ্রিল মধ্যরাতে এই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বারেক মিয়াকে ধামরাই থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

জানা গেছে, গত ৬ এপ্রিল সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ভুক্তভোগীর বাবা-মা নিজ নিজ কর্মস্থলে ছিলেন। সে সময় বাসায় তাদের চার বছর ও সাড়ে সাত বছর বয়সী দুই মেয়ে বসে টিভি দেখছিল। বাড়িওয়ালা আবদুল বারেক এসে ছোট মেয়েকে ১০ টাকা দিয়ে চকলেট কিনতে বাইরে পাঠিয়ে দেয়। এরপর সে ঘরের দরজা আটকে দিয়ে বড় মেয়ের ওপর যৌন নির্যাতন চালায়। রাত আটটার পর শিশুটির মা কাজ থেকে ফিরে দেখেন মেয়ে কান্নাকাটি করছে। এ সময় মাকে দেখে মেয়ে দৌঁড়ে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে এবং বাড়িওয়ালার অপকর্মের কথা জানায়। মা শিশুটির শরীর ও কাপড়ে রক্তপাত দেখতে পান।

তিনি মেয়েটিকে কোলে নিয়ে বাড়িওয়ালার ঘরে গিয়ে তাকে ও তার স্ত্রীকে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করেন। তখন বাড়িওয়ালা আবদুল বারেক ঘটনার কথা স্বীকার করে মান-সম্মানের দোহাই দিয়ে বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করে। পরে ভুক্তভোগীর বাবা বাড়ি ফিরে বিস্তারিত ঘটনা জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়িওয়ালার ঘরে গেলে আবদুল বারেক এবং তার স্ত্রী পা ধরে ক্ষমা চান। এসময় তাদের ঘরের বাইরে থেকে ছিটকিনি আটকে পরিচিত লোকজন ডাকতে যান তিন। স্ত্রী ছিটকিনি খুলে দিলে অভিযুক্ত বারেক পালিয়ে যান। 

এদিকে ঘটনার কথা শুনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রক্টরসহ প্রক্টরিয়াল বডি ও সিকিউরিটির লোকজন ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান।তারা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে সাভার থানার বিরুলিয়া ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে শিশুটিকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত ১৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশু আদালতে নিজের জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানা গেছে।

কক্সবাজারে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে মুখোশধারীদের তাণ্ডব, লুট ৫…
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেপ্তার
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
কাজে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে প্রাণ গেল যুবকের, আহত ২ বন্ধু
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
ইশরাকের পদত্যাগ অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, সামনে বৃহত্তর দায়িত্ব …
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজার রিসোর্টে আগুনে নিহতদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষ…
  • ২০ অক্টোবর ২০২৬
পূজা দেখতে বেরিয়ে প্রাণ গেল ভাই-বোনের
  • ১৯ অক্টোবর ২০২৬