হাদি হত্যাকাণ্ডে ভারতে আরও একজন গ্রেপ্তার

১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৬ PM , আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৬ PM
হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই আসামিকে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা (ইনসেটে)  গ্রেপ্তার

হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই আসামিকে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা (ইনসেটে) গ্রেপ্তার © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান দুই আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমাকে ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের অধিবাসী ফিলিপ সাংমাকে আটকের বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সূত্র খবর পেয়ে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা স্বীকার করেন যে, তিনি ফয়সাল করিম এবং আলমগীরকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে সহায়তা করেন। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার এড়াতে পরে তিনি নিজেও অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়েন।

গ্রেপ্তারের পর ফিলিপ সাংমাকে আদালতে তোলার পর এখন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে এসটিএফ জানিয়েছে।

এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাতে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের (এসটিএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছুক্ষণ পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদিকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল সিঙ্গাপুরে। ছয় দিন পর সেখানে তার মৃত্যু হয়।

হামলাকারী হিসেবে পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম এবং তাঁর সহযোগী আলমগীরকে চিহ্নিত করলেও তাঁদের ধরতে পারেনি। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ১২ ডিসেম্বর হামলা চালিয়ে ওই দিনই ফয়সাল ও আলমগীর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানিয়েছিল, তাদের সীমান্ত পার করতে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। আর তা করেছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। সীমান্তে দালালদের সহায়তায় ফয়সাল ও আলমগীরকে পার করে দেওয়া হয়।

হালুয়াঘাট সীমান্তে টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে মানুষকে সীমান্ত পারাপার করে—সেই এলাকায় এমন কিছু দালাল রয়েছে। তাদের একজন ফিলিপ সাংমা। তার বাড়ি হালুয়াঘাট সীমান্তসংলগ্ন ভুটিয়াপাড়া গ্রামে।

পুলিশ এ আগে অভিযান চালিয়ে ফিলিপের দুজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে জানা যায়, ফয়সাল ও আলমগীরকে পার করানোর পর টেলিভিশনের খবর দেখে তারা বুঝতে পারেন, এরা ঢাকায় বড় ঘটনা ঘটিয়ে এসেছে। এরপর ফিলিপকে সতর্ক করলে তিনিও আত্মগোপনে চলে যান।

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফিলিপকে নিয়ে তিনজন ভারতে গ্রেপ্তার হলেন। আগে গ্রেপ্তার ফয়সাল ও আলমগীরকে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।

জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনে বড় নিয়োগ, পদ ৯৬৮, আবেদন এইচএসসি-এ…
  • ১৫ মে ২০২৬
আওয়ামী লীগের কারণেই দেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে ব…
  • ১৫ মে ২০২৬
চীন যাচ্ছে ডাকসুর ১৫ নেতা
  • ১৫ মে ২০২৬
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ ব্যাংকের 
  • ১৫ মে ২০২৬
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসে চাকরি, আবেদন ৩০ মে পর্যন্ত
  • ১৫ মে ২০২৬
জুমার দিনে মৃত্যুসহ ইসলামে ভালো মৃত্যুর ১২ আলামত 
  • ১৫ মে ২০২৬