বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুর

৫৫ জনের নামসহ অজ্ঞাত ৬০০ জনের নামে মামলা

০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৪ PM
বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুর

বিটিআরসি ভবনে ভাঙচুর © সংগৃহীত

এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) সিস্টেম চালুর প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ভাঙচুর ও নাশকতার ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এতে আনুমানিক দুই কোটি এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আগারগাঁও এলাকায় বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আন্দোলন শুরুর পর একপর্যায়ে তারা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভবনের কাচের দেয়ালসহ একাধিক স্থাপনা ভাঙচুর করেন।

ভাঙচুরের সময় বিটিআরসি ভবনের সামনে পার্ক করা ৫১ আসনবিশিষ্ট একটি এসি স্টাফ বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৭০৩৫) ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ভবন ও যানবাহন ভাঙচুরে প্রায় দুই কোটি এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর সিস্টেম চালুর বিরোধিতা করে আন্দোলন করে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এনইআইআর চালু করা হয়। এর জের ধরেই আন্দোলনকারীরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

নাশকতার সময় আন্দোলনকারীরা বিটিআরসি ভবনের সামনে সড়ক অবরোধ করেন, ফলে কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দুষ্কৃতকারীরা পালানোর চেষ্টা করে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৪৫ জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও ১০ জন পলাতক আসামির নাম প্রকাশ করেন এবং তাদের সহায়তায় এ নাশকতা চালানো হয়েছে বলে স্বীকার করেন- এমন দাবি করা হয়েছে এজাহারে। অন্য অজ্ঞাত আসামিরা কৌশলে পালিয়ে যান বলেও উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহার রোধে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেম কার্যকর করা হয়। এই ব্যবস্থার আওতায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। তবে শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছিলেন দেশের মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ।

অবশেষে ঢাকা-৮ আসনের ফলাফল ঘোষণা
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধায় জামায়াতের দখলে চার আসন, একটিতে বিএনপি
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসিতে যাচ্ছে জামায়াত, ‘প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচি’
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তিন আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখছে নির্বাচন কমিশন
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জের তিন আসনেই বিএনপির জয়জয়কার
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সাতক্ষীরার ৪ আসনেই বিপুল ভোটে জয় জামায়াতের
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!