চিকিৎসার জন্য ঢাকার হোটেলে উঠেছিলেন, একে একে মারা গেলেন বাবা-মা-সন্তান

২৯ জুন ২০২৫, ০৮:০৪ PM , আপডেট: ৩০ জুন ২০২৫, ০৯:২৩ PM
মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপ

মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপ © ফাইল ফটো

অসুস্থ ছেলের চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে এসে আবাসিক হোটেলে উঠার পর একই পরিবারের তিনজনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন সৌদিপ্রবাসী মনির হোসেন, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও ছেলে নাঈম হোসেন।

আজ রবিবার (২৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে তারা মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাদেরকে হোটেলের পাশের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই সবার মৃত্যু হয়। গতকাল শনিবার (২৮ জুন) লক্ষ্মীপুর থেকে এই দম্পতি ঢাকায় এসেছিল ছেলে নাঈমের চিকিৎসার জন্য। পরে মগবাজারের এই হোটেলে উঠেন তারা।

মৃত মনির হোসেন সৌদিপ্রবাসী। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের দেহলা। তার বাবার নাম সেরাজুল হক ব্যাপারী। তাদের লাশ ঢাকা আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ সেখানে তাদের সুরতহালসহ আইনিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য তারা মারা যেতে পারেন। তবে সঠিক কারণ জানতে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

হোটেল সুইট স্লিপের সহকারী ম্যানেজার আব্দুল মানিক জানান, গতকাল বিকেলে মনির হোসেন তার প্রতিবন্ধী ছেলে ও তার স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে আসেন। তারা গতকাল সন্ধ্যায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে যান। সেখান থেকে রাতেই হোটেলে আসেন। তাদের সঙ্গে তাদের এক কেয়ারটেকারও ছিলেন। কেয়ারটেকার তাদের দেখাশোনা করেছেন। তিনি বিভিন্ন হোটেল থেকে খাবার এনে দিতেন। সেই খাবারই তারা খেয়েছেন। তারা কখন অসুস্থ হয়েছেন, তা হোটেলের কেউ টের পাননি। কেয়ারটেকার প্রথমে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যান, এরপর ওই পুরুষকেও নিয়ে যান। তখন হোটেলের সবাই বিষয়টি জানতে পারেন।

ডিএমপির নতুন কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
  • ১৫ মে ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতার কালানুক্রমিক ইতিহাস ও তাদের…
  • ১৫ মে ২০২৬
নিজ কক্ষে মিলল ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ
  • ১৫ মে ২০২৬
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করল সুইডেন
  • ১৫ মে ২০২৬
৬ বছর পর কলেজ র‍্যাঙ্কিং প্রকাশের উদ্যোগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যাল…
  • ১৫ মে ২০২৬
নোবিপ্রবির বিদায়ী উপাচার্যের আবেগঘন বার্তা
  • ১৫ মে ২০২৬