মাগুরার শিশুটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেন হিটু শেখ

১৫ মার্চ ২০২৫, ১০:৪২ PM , আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৫, ১১:২২ AM
হিটু শেখ

হিটু শেখ © সংগৃহীত

মাগুরায় আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (১৫ মার্চ) বিকেলে মাগুরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (প্রথম) আদালতের বিচারক সব্যসাচী রায় আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ নিয়ে আগামীকাল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলেন বিস্তারিত জানানো হবে। 

বাদীপক্ষের প্যানেল আইনজীবী ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহেদ হাসান টগর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালতে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জবানবন্দিতে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। হিটু শেখ জবানবন্দিতে জানিয়েছেন- নির্জন ঘরে একা পেয়ে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে প্রধান আসামি হিটু শেখকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মাগুরার শহরের  নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গত ৫ মার্চ রাতে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের ওই শিশুটি। এ সময় তাকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টাও করা হয়। ওই ঘটনার পর প্রথমে শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সর্বশেষ ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ দুপুরে শিশুটির মৃত্যু হয়। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে শিশুটিকে মাগুরা নেওয়া হয়। পরে শহরের নোমানী ময়দানে প্রথম জানাজা ও পরে শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের সোনাইকুন্ডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে  দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় সোনাইকুন্ডী গোরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

এদিকে ধর্ষণের শিকার হওয়া শিশুটির মা গত ৮ মার্চ  বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন। আসামিরা আগে থেকেই পুলিশের হেফাজতে ছিলেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকায় আসামিদের গত রবিবার (৯ মার্চ) দিনের বেলা আদালতে হাজির করতে পারেনি পুলিশ। পরিস্থিতি বিবেচনায় গভীর রাতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি করেছেন আদালত। এ সময় আদালত মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে সাত দিন এবং অন্য তিন আসামিকে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড প্রাপ্তরা হলেন— হিটু শেখের স্ত্রী জাহেদা বেগম, বড় ছেলে সজীব শেখ ও ছোট ছেলে রাতুল শেখ। 

তিন দিনব্যাপী ‘সিইউবি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশন্স’ সম্পন্ন
  • ০২ জুলাই ২০২৬
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল স্বামীর, স্ত্রী হাসপাতালে
  • ০২ জুলাই ২০২৬
ক্লিনিক্যাল ক্লাসে যেতে হয় ১৫ থেকে ৫৫ কিমি দূর, শিক্ষকশূন্য…
  • ০২ জুলাই ২০২৬
এমপিওভুক্ত হচ্ছেন আরো এক হাজার ৩১১ শিক্ষক
  • ০২ জুলাই ২০২৬
সিলেটে সাদাপাথরে গোসল করতে নেমে চিকিৎসক নিখোঁজ
  • ০২ জুলাই ২০২৬
বউয়ের ভালোবাসায় বিসিএসের স্বপ্ন জয় করিমের
  • ০২ জুলাই ২০২৬