আয়ারল্যান্ড দল © সংগৃহীত
বৃষ্টির এক ফোঁটাও কখনো কখনো বদলে দিতে পারে একটি দলের বিশ্বকাপ ভাগ্য। আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রেও সেটাই হলো। আফগানিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে টস ছাড়াই পরিত্যক্ত হওয়ায় ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাওয়ার শেষ গাণিতিক সম্ভাবনাটিও হারাল আইরিশরা।
ব্রেডিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। ম্যাচটি পরিত্যক্ত হওয়ায় আয়ারল্যান্ডের আর ৫-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের সুযোগ থাকল না। আর তাতেই শেষ হয়ে গেল তাদের সরাসরি বিশ্বকাপে ওঠার সমীকরণ।
বর্তমানে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ১২ নম্বরে রয়েছে আয়ারল্যান্ড। সেপ্টেম্বরের শেষ দিনে নির্ধারিত র্যাঙ্কিং কাট-অফের আগে তাদের সামনে ছিল কঠিন এক সমীকরণ। আফগানিস্তানকে ৫-০ ব্যবধানে হারানোর পাশাপাশি ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ হতে হতো। তবেই জিম্বাবুয়ে, বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেছনে ফেলে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতো।
কিন্তু প্রথম ম্যাচই বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় সেই সমীকরণ আর বাস্তবায়নের সুযোগ রইল না। ফলে ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে হলে এখন আয়ারল্যান্ডকে পাড়ি দিতে হবে বাছাইপর্বের কঠিন পথ।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, আগামী বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ১০ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। যদিও টুর্নামেন্টের সূচি চূড়ান্ত হলেও এখনো ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়নি। এই আসরের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি ১৪ দলের মূল বিশ্বকাপে জায়গা করে নেবে।
এছাড়া বাছাইপর্বে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া দলগুলোর জন্যও থাকবে আরেকটি সুযোগ। তারা অংশ নেবে ‘সুপার সিরিজে’, যেখানে সেরা দলটি মূল বিশ্বকাপের ১২ দলের পর্বে খেলার টিকিট নিশ্চিত করবে। ফলে বাছাইপর্ব থেকে বিশ্বকাপে ওঠার দ্বিতীয় একটি পথও খোলা থাকবে।
অবশ্য বাছাইপর্বের লড়াই আয়ারল্যান্ডের জন্য নতুন কিছু নয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি তারা। জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত সেই বাছাইপর্বে সুপার সিক্স থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল আইরিশদের। এবারও বিশ্বকাপের মূল আসরে ফিরতে হলে একই ধরনের কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে আয়ারল্যান্ডকে।