নাহিদের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে অল্পতেই থামল পাকিস্তান

১১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৮ PM , আপডেট: ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৪ PM
বাংলাদেশ দলের উদযাপন

বাংলাদেশ দলের উদযাপন © সংগৃহীত

নাহিদ রানা যেভাবে আলো ছড়াচ্ছিলেন, তাতে মনে হচ্ছিল দিনটা কেবল তারই। আগুনঝড়া বোলিংয়ে পাকিস্তানের টপ-অর্ডার একাই ধসিয়ে দেন। ইনিংসের শুরুতেই নিজের প্রথম ৫ ওভারের মধ্যেই প্রথম ৫টি উইকেট তুলে নিয়ে দারুণ সূচনা এনে দেন এই পেসার। মাঝে মিরাজও আলোর দ্যুতি ছড়িয়ে টানা তিন উইকেট তুলে নেন। ৮২ রানে ৯ উইকেট খুয়ানো দলটি শেষমেশ এক শ' স্পর্শ করতে পারবে কি না, তা নিয়েও শঙ্কা জেগেছিল। তবে ফাহিম আশরাফের একার লড়াইয়ে সেই লজ্জা এড়ায় দ্য গ্রিন ম্যানরা। কিন্তু বেশি দূর এগোতে পারেননি সফরকারীরা। টাইগারদের হয়ে পাকিস্তানের শেষ উইকেটটি নেন মোস্তাফিজুর রহমান। 

বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩০ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। দলের হয়ে ১ ছক্কা ও ৬ চারে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম। 

ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী শুরু করেছিলেন দলটির অভিষিক্ত দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে নাহিদ রানা আক্রমণে আসার পরপরই বদলে যায় সব সমীকরণ। 

দশম ওভারে ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরানোর পর নিজের পরের দুই ওভারেও আরও দুই ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখান নাহিদ। তার বিধ্বংসী স্পেলে রীতিমতো চাপে পড়ে যায় পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ।

ক্রিজে এসে শুরু থেকেই স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না অভিষিক্ত শামিল হুসাইন। নাহিদের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে শুরুতেই একটি উঁচু শট খেলেন। তবে ফিল্ডার তানজিদ হাসানের হাত থেকে সে সময়ে বেঁচে যান শামিল। এরপরে ইনিংসের ১২তম ওভারে আকাশে বল তুলে দেন শামিল। এবার আর ভুল করেননি উইকেটকিপার লিটন। ৭ বলে মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার।

শামিলকে ফেরানোর ঠিক এক ওভার পর আবারও বল হাতে ভেলকি দেখান নাহিদ। এবার তার শিকার আরেক ওপেনার সাদাকাত। ওভারের চতুর্থ বলে সাইফের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনি।

এরপর রিজওয়ানও উইকেটে থিতু হতে পারেননি। গুড লেংথে করা নাহিদের বলে উইকেটের পেছনে লিটমের হাতে ক্যাচ দেন রিজওয়ান। ফেরেন ২০ বলে ১০ রান করে।

সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে ষোল কলা পূর্ণ করেন নাহিদ। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট নেন এই পেসার। তার শর্ট বলে শর্ট স্কয়ার লেগে তানজিদের হাতে ক্যাচ দেন সালমান (৫)।

এরপর অবশ্য উইকেট মিছিলে নাম লেখান মিরাজও। তার বলে লিটনের হাতে ক্যাচ দেন আব্দুল সামাদ। ডাক মেরে ফেরার পাশাপাশি একটা রিভিউও নষ্ট করেন তিনি। পরে রিভিউ নিয়ে হুসেইন তালাতকেও ফেরান মিরাজ। তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৪ রানে ফেরেন তালাত।

মিরাজের ঘূর্ণিঝড়ে শাহিন শাহ আফ্রিদিও টিকতে পারেননি। তালাতকে আউট করার এক বল পরই আফ্রিদিকে এলবিডব্লিউ করেন টাইগার দলপতি। শেষ দিকে উইকেট মিছিলে নাম লেখান তাসকিন আহমেদও। তার বলে রানের খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। 

দলের এমন চরম বিপর্যয়ের মধ্যে শেষ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন ফাহিম আশরাফ। কোনো রান যোগ করতে না পারলেও ১০ বল মোকাবিলায় তাকে দারুণ সঙ্গ দেন আবরার আহমেদ। তাদের ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে দলীয় এক শ স্পর্শ করে সফরকারীরা। তবে মোস্তাফিজের শর্ট লেন্থ বলে মিড উইকেটে তাসকিনের হাতে ফাহিম ধরা পড়লে থামে পাকিস্তানের ইনিংস। এক ছক্কা ও ৬ চারে ৪৭ বলে ৩৭ রানের কার্যকরী এক ইনিংস খেলে থামেন এই অলরাউন্ডার।

‎কিশোরগঞ্জে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
পারেনি শ্রীলঙ্কা, ৩১ বছরের অপেক্ষায় পাকিস্তান, সেই নজিরই গড়…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষক সংকট কমাতে খণ্ডকালীন ‘শিক্ষক পুল’ গড়বে জাতীয় বিশ্ববি…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি ভর্তির আবেদন শুরু আজ, করবেন যেভ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল-অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বিএএসের ফেলো হলেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬