‘জুলাইয়ে একতরফা হামলাকে ‘সংঘর্ষ’ বানিয়েছে গণমাধ্যম’

২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৭ PM
সিআরএফ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন জিমি আমির

সিআরএফ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন জিমি আমির © সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের ওপর পুলিশের একতরফা হামলাকে গণমাধ্যম ‘সংঘর্ষ’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য ও ডয়চে ভেলে একাডেমির ট্রেইনার জিমি আমির। 

বুধবার(২৯ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে কমিউনিকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিআরএফ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ আফটার দ্য জুলাই রেভল্যুশন: মিডিয়া'স রোল ইন রিবিল্ডিং দ্য স্টেট অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

জিমি আমির জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ছাত্রদের হাতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ছিল না, তারা কেবল আত্মরক্ষার চেষ্টা করছিল। কিন্তু অধিকাংশ গণমাধ্যম ঘটনাটিকে ‘ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ’ হিসেবে প্রচার করেছে। তিনি বলেন, পরবর্তীতে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, সব সিদ্ধান্ত প্রতিবেদকদের হাতে থাকে না।

তিনি বলেন, সে সময় এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও তিনি রাজি হননি। কারণ হিসেবে ওই সাংবাদিক বলেছিলেন, ‘পুলিশের বিপক্ষে যাওয়া যাবে না।’

গণমাধ্যমের মালিকানা কাঠামোর সমালোচনা করে জিমি আমির বলেন, অতীতে অনেক সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জনস্বার্থে নয়, বরং ক্ষমতার কাছাকাছি যাওয়ার উদ্দেশ্যে। সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টিতেও নানা অনিয়ম ছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে তথ্য মন্ত্রণালয়ের আপত্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার দাবি, কমিশনের কিছু প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা সীমিত হয়ে যেতে পারে, তাই সেখান থেকে বাধা আসছে। এছাড়া কমিশনের জনমত জরিপের তথ্য ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে জিমি আমির বলেন, অনেক সাংবাদিক এখনও খুব কম বেতনে কাজ শুরু করেন, যা দিয়ে ঢাকার মতো শহরে জীবনযাপন কঠিন। তাই কমিশন সাংবাদিকদের প্রবেশ পর্যায়ের বেতন প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার সমপর্যায়ে নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে মালিকবান্ধব আইন সংস্কার এবং সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা সংকট অল্প সময়ে দূর করা সম্ভব নয়। তবে সরকারের সদিচ্ছা, মালিকপক্ষের জবাবদিহি এবং সাংবাদিকদের মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া প্রকৃত গণমাধ্যম সংস্কার বাস্তবায়ন হবে না।   

চট্টগ্রামের আলোচিত ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
এইচএসসির জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন সমাধান দেখুন এখান…
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
ট্রাক-নসিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোর নিহত, আহত ২
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশে এই প্রথম জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা, চলছে আবেদন, প্…
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
‘জুলাইয়ে একতরফা হামলাকে ‘সংঘর্ষ’ বানিয়েছে গণমাধ্যম’—সংস্কার…
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
কারাগারেই ডিগ্রি ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ইমরান
  • ২৯ জুলাই ২০২৬