২ কলেজছাত্রীকে ডেকে নিয়ে জুতাপেটা, ভিডিও ভাইরাল

১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৫ PM
 দুই ছাত্রীকে জুটাপেটার অভিযোগ

দুই ছাত্রীকে জুটাপেটার অভিযোগ © টিডিসি ছবি

বরিশালের মুলাদীতে মোবাইল ফোন নম্বর ব্লক করাকে কেন্দ্র করে মুলাদী সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির দুই ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে মারধর ও জুতাপেটা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগী দুই ছাত্রী নিরাপত্তা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে, ঘটনা তদন্তে দুই শিক্ষকের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি সামনে আসে।

ভুক্তভোগী দুই ছাত্রী তোয়া ও সুমির অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে সহপাঠী উম্মে হাবিবার বন্ধুত্ব ছিল। তাঁরা একসঙ্গে কলেজে যাতায়াত করতেন। কয়েক দিন আগে একটি বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। এর জেরে তোয়া ও সুমি হাবিবার মোবাইল ফোন নম্বর ব্লক করে দেন।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হাবিবা তাঁর আরেক সহপাঠী কেয়ার মাধ্যমে তাঁদের শ্রেণিকক্ষ থেকে ডেকে নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে হাবিবার বড় বোন নাছরিনসহ কয়েকজন তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

লিখিত অভিযোগে তোয়া ও সুমি জানান, তাঁদের চুল ধরে টানাটানি করা হয়। এ সময় পেটে লাথি, কিল-ঘুষি ও চড়-থাপ্পড় মারার পাশাপাশি জুতা দিয়ে পেটানো হয়। পোশাক ধরে টানাটানি করে তাঁদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এ ছাড়া প্রাণনাশের হুমকি এবং কলেজে আসা ও পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও করেছেন দুই ছাত্রী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কয়েকজন তরুণী ও ছাত্রীকে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়াতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ভিডিওতে দুই ছাত্রীর চুল ধরে টানাটানি, চড়-থাপ্পড় ও জুতাপেটার দৃশ্যও দেখা যায়।

তবে হামলা ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত উম্মে হাবিবার বড় বোন নাছরিন আক্তার। তাঁর দাবি, ছোট বোনের নামে বদনাম করায় ওই দুই ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এ সময় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মুলাদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ তদন্তে দুই শিক্ষকের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

ইউএনও মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ঘটনাটি কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঘটেছে। বিষয়টি সমাধানের দায়িত্ব কলেজের অধ্যক্ষকে দেওয়া হয়েছে। তিনি ব্যর্থ হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগী তোয়া বলেন, তাঁরা কলেজে নিরাপদ ও স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

খণ্ডিত দৃশ্যকে ‘অস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রীর অভিযান’ শীর্ষক চট…
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
মায়ার বাঁধনে জড়িয়ে অনলাইনে প্রেম, যে ৭ লক্ষণ দেখে বুঝবেন ‘প…
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
৪ অনুষদে শিক্ষক নেবে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
তিন বর্ষের সিলেবাসে হবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরে ২০ হাজার ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ দম্পতি গ্রেপ্তার
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামে বন্ধুদের হামলায় যুবকের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৪
  • ১৮ অক্টোবর ২০২৬