কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জেলে © টিডিসি ফটো
পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারের সময় শিশুসহ চারজনকে আটকের পর দুই অসাধু জেলেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় মাছ শিকারে ব্যবহৃত জাল ও নৌকা জব্দ করা হয় এবং জেলেদের সহযোগী অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই শিশুকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) তেঁতুলিয়া নদীর বাউফলের ধুলিয়া ও ভোলা জেলার সীমানা এলাকায় মাছ শিকারের সময় তাদের আটক করা হয়।
কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকার মামুন ইসলাম (২৩) ও একই এলাকার কামাল হোসেন (২৫)।
অপরদিকে, সাজাপ্রাপ্ত জেলেদের সহযোগী একই এলাকার রবিউল মৃধা (১৩) ও মোহাম্মদ খান (১৪) অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের মুচলেকা রেখে পরিবারের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার এম এম পারভেজ বলেন, ‘প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার ব্যবস্থা করার লক্ষ্যেই সরকার ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদ-নদীতে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এ সময়কালে জেলেদের খাদ্যঘাটতি কমাতে সরকার জেলেদের চালসহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করেছে। জেলেদের নানাভাবে সচেতনও করা হয়েছে। এ ছাড়া আমরা নিয়মিত নদীতে অভিযান পরিচালনা করি।’
আরও দেখুন: যুব উন্নয়নের পরীক্ষা স্থগিতের পর নীলক্ষেতে চাকরিপ্রত্যাশীদের অবরোধ
তিনি জানান, তবুও আইন অমান্য করে কিছু অসাধু জেলে নিয়মিত আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা করে। আজ বেলা ১১টার দিকে আইন অমান্য করে মাছ শিকারের সময় আমরা শিশুসহ চারজনকে আটক করি।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুজনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুজনকে মুচলেকায় মুক্তি দেন বলে জানান তিনি।