চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী © সংগৃহীত
চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আলমগীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হওয়া একাধিক মামলা রয়েছে। তবে এসব মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন।
রবিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার সায়মা প্লাজা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও নিম্ন আদালতে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করে প্রেস জামিন নেওয়ার বিষয়টি আলমগীর চৌধুরী নিশ্চিত করতে পারেননি। এ ছাড়া চকরিয়া পৌরসভার নিজপানখালী এলাকার এক বাসিন্দার দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায়ও তিনি অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন।
তবে ওই মামলার বাদী আদালতে আপসনামা দিয়েছেন বলে দাবি করেছে আলমগীর চৌধুরীর পরিবার।
আলমগীর চৌধুরী চকরিয়া পৌরসভার টানা দুবার নির্বাচিত মেয়র ছিলেন। ২০২১ সালের নির্বাচনে তিনি আবার মেয়র নির্বাচিত হন।
আলমগীর চৌধুরীর গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ছাত্রনেতা অভি। স্ট্যাটাসে অভি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় চকরিয়ার পিচঢালা রাজপথে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করিয়েছেন আলমগীর চৌধুরী।
এ ছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং চকরিয়া পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলমগীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপি, হামলা এবং বিএনপির প্রার্থী-সমর্থকদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার মতো অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভির দাবি, ২০১৮ সালের নির্বাচনে আলমগীর চৌধুরী তৎকালীন স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের হয়ে ভোট কারচুপিতে ভূমিকা রেখেছিলেন। চকরিয়া পৌর নির্বাচনেও বিএনপির সাবেক মেয়র হায়দার সাহেব ও তার সহধর্মিণী পৌর মহিলা দলের সভাপতি রিফাত সাবরিনার ওপর প্রকাশ্যে হামলা এবং ধানের শীষের প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।