একই পরিবারের ৭ জনকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে মালামাল লুট © সংগৃহীত
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় পানির ট্যাংকে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে একই পরিবারের ৭ জনকে অচেতনের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মোবাইল, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা । রবিবার (২৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার যশরা ইউনিয়নের কাঁঠাল ডিঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং গুরুতর আহত বাড়ির মালিক সিরাজুল ইসলামকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অচেতনরা হলেন- বাড়ির মালিক সৌদি প্রবাসী সিরাজুল ইসলাম (৫০), স্ত্রী মল্লিকা আক্তার (৪০), মেয়ে সুমি আক্তার( ২১) , মেয়ের জামাই শরিফ আহম্মেদ, সোমা আক্তার (১৩) ও সিরাজুল ইসলামের প্রতিবেশী লুৎফা আক্তার (৪০)।
জানা যায়, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা দুপুরের খাবার খাওয়ার পর থেকে অচেতন হয়ে পড়েন। রাত ৩ টায় সুমি আক্তারের শিশু সন্তানের কান্নাকাটিতে জেগে উঠেন। কিন্তু শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল অনুভব করেন। ঘরের ভেতর আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখেন।
মেয়ের জামাই শরিফ আহম্মেদ জানান, আমি রাতে বাসায় গিয়ে সবাইকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পাই। স্বাভাবিক অসুস্থতা মনে করে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। ধারণা করছি দিনের যে কোনো সময় দুষ্কৃতিকারীরা সুযোগ বুঝে পানির ট্যাংকে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে রাখে। পরে ঐ পানি পান করে পরিবারের সবাই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ সুযোগে রাতের বেলা বারান্দার লোহার গ্রীল কেটে ঘরে ঢুকে আলমারিতে রাখা জমি ত্রুয়ের টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় তারা। পরবর্তীতে সবাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং আমার শ্বশুরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বলা হয়েছে।