দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে © টিডিসি ফটো
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট হয়ে কর্মস্থলে ফিরছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই ভোগান্তি। ফলে স্বস্তিতে নদী পার হচ্ছেন দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলা থেকে আসা ঢাকামুখি মানুষ।
সোমবার (১ জুন) ঈদের পঞ্চম দিন সকাল থেকে পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া ঘাটে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিন দেখা যায়, ঘাটে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি ঘাটের অ্যাপ্রোচ সড়কে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে ফেরিতে ওঠানো হচ্ছে। এতে তীব্র গরমে যাত্রীদের দুর্ভোগে হলেও নিরাপত্তার স্বার্থে ও ভোগান্তি না থাকায় খুশি যাত্রীরা।
তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে দৌলতদিয়ায় বাড়ছে ঢাকামুখি যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। এরমধ্যে ছোট গাড়ি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের সংখ্যাই বেশি।
যাত্রা নির্বিঘ্ন ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঘাট এলাকায় কাজ করছে বিআইডব্লিউটিসি ও নৌপুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসন।
ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, পদ্মা সেতু চালুর পর দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কম। উৎসব বা বিশেষ দিনগুলোতে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়ে যায় কয়েকগুণ। তবে এবার পর্যাপ্ত ফেরি ও লঞ্চ চলাচল করায় ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রীরা কর্মস্থলে ফিরছেন।
ঢাকামুখি কলেজ শিক্ষার্থী আলফাজ শিকদার বলেন, ঈদের আগে ও পরে এই রুটে কোনো ভোগান্তি হয়নি। দৌলতদিয়া ঘাটে নিরাপত্তার জন্য বাস থেকে যাত্রীদের নামানো হচ্ছে। এতে একটু সমস্যা হলেও সবার জন্য ভালো। এ ধারা যেন অব্যাহত থাকে।
শরিফ নামের আরেকজন যাত্রী বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সময় বাঁচে। ঈদে বাসের টিকিট পাওয়া অনেক কষ্টকর। তবে এবার কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি। ঈদযাত্রা ছিল স্বস্তির।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট সহকারী ব্যবস্থাপক জিসানুল ইসলাম তপু বলেন, রোববারের তুলনায় সোমবার যাত্রীদের চাপ একটু কম। এরপরও যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এ রুটে ছোট বড় মিলে ১৭ টি ফেরি এবং দৌলতদিয়া প্রান্তে তিনটি ঘাট সচল রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দুর্ভোগ এড়াতে সার্বক্ষণিক তিনটি টিম মনিটরিং করছে। হ্যান্ডমাইক দ্বারা যাত্রীদের সচেতন এবং বাস থেকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দৌলতদিয়ায় কোনো দুর্ভোগ নেই।